বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের অধিনায়ক এই এক জায়গায় এসে শাস্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়েছেন। গতকাল এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে একই কথা বলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমও।


কেন এত তাড়াতাড়ি বিদায় নিল ভারত? রবি শাস্ত্রী এক বাক্যে দুষেছেন জৈব সুরক্ষাবলয়কে। তাঁর বক্তব্যে সুপার টুয়েলভ থেকে বাদ পড়ার কারণ হিসেবে এটাই উঠে এসেছে। শাস্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় দল প্রায় ছয় মাস ধরে জৈব সুরক্ষাবলয়ে আছে। ইংল্যান্ড থেকে টেস্ট সিরিজ খেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে আইপিএল খেলতে। সেখান থেকে সরাসরি পাড়ি জমিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই তিন ভ্রমণের মধ্যে কোনো ছুটি ছিল না বললেই চলে। শাস্ত্রীর মতে, জৈব সুরক্ষাবলয়ে থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

default-image

শাস্ত্রীর সুরে কথা বললেন বাবরও। আগামীকাল রাত আটটায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে তাঁর দল মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার। ম্যাচপূর্ববর্তী এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গতকাল এ কথাগুলো বলেছেন বাবর।

এ ছাড়া জৈব সুরক্ষাবলয়ের একঘেয়েমি কাটাতে পাকিস্তান ক্রিকেট দল কেমন পদ্ধতি অনুসরণ করে, সেটাও উঠে এসেছে তাঁর কথায়, ‘দেখুন, পেশাদার ক্রিকেটে যে কারোরই ভালো ও খারাপ সময় আসবে। কিন্তু সার্বক্ষণিক জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকতে থাকতে খেলোয়াড়েরা খুবই বিরক্ত এবং সবাই অস্বস্তিতে ভুগছে। নিজেদের চাঙা রাখতে আমরা সবকিছু একসঙ্গে করছি এবং একজন আরেকজনকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করছি।’

default-image

নিজের কথাকে আরও ভালোমতো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাবর জানান, একজন খেলোয়াড়ের যখন খারাপ সময় যাবে, তখন তাঁকে একটু সময় নিয়ে পুনরায় সতেজ হয়ে ফিরে আসতে হবে, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আপনাকে শান্ত থাকতে হবে এবং চাপ সহ্য করতে হবে। কিন্তু যখন আপনার খারাপ সময় আসবে, তখন আপনার নিজেকে একটু সময় দিতে হবে, একটু বাইরে ঘুরতে যেতে হবে, যাতে আপনি একটু চাপমুক্ত হতে পারেন। কিন্তু জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকলে তা সম্ভব হয় না, এ কারণে মনে বাজে চিন্তাভাবনা ঘুরতে থাকে, যার প্রভাব পড়ে মাঠের পারফরম্যান্সে।’


এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন বাবর আজম। পাঁচ ম্যাচে ২৬৪ রান করে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। দল হিসেবে পাকিস্তানও দারুণ খেলছে, সুপার টুয়েলভের পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। জৈব সুরক্ষাবলয়ে থেকেও কীভাবে এত ভালো খেলছেন, সেটাও বললেন বাবর, ‘আমরা সব সময় একত্র থেকে সবার সঙ্গে কথা বলার এবং সাহায্য করার চেষ্টা করি। দলের সবাই সবাইকে মানসিকভাবে উৎফুল্ল রাখার চেষ্টা করে, যা আমাদের মাঠে শান্ত থাকতে এবং আরও ভালো খেলতে অনুপ্রেরণা জোগায়।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন