এই রানআউটেই শেষ হয়েছে খেলা। জিতেছে চেন্নাই।
এই রানআউটেই শেষ হয়েছে খেলা। জিতেছে চেন্নাই। ছবি: আইপিএল

২২১ রানের লক্ষ্য। রান তাড়ায় ষষ্ঠ ওভারে ৩১ রান তুলতেই ৫ উইকেট নেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের। যাঁরা ভেবেছিলেন, চেন্নাই সুপার কিংস সহজেই জিতে যাচ্ছে ম্যাচটা, তাঁদের দোষ দেওয়া যায় না। মুম্বাইয়ের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১৮ রানে জিতেছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলই। তবে জেতাটা সহজ হয়নি। সহজ হতে দেননি দীনেশ কার্তিক-আন্দ্রে রাসেল-প্যাট কামিন্সরা। রাসেল ২২ বলে ৫৪ রান ও কার্তিক ২৪ বলে ৪০ রান করে আউট হয়ে গেলেও প্যাট কামিন্স শেষ ওভার পর্যন্ত টিকিয়ে রেখেছিলেন সাকিব আল হাসানকে ছাড়া খেলা কলকাতার স্বপ্ন।

শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে ১৮ রান দরকার ছিল কলকাতার, চেন্নাইয়ের ১ উইকেট। স্ট্রাইকে ছিলেন ৩৩ বলে ৬৫ রানের অপরাজিত কামিন্স। শার্দূল ঠাকুরের করা প্রথম বলটিতে লং অফে ঠেলে ২ রানের জন্য পড়িমরি করে দৌড়েছেন কামিন্স। প্রথম রানটা হলেও দ্বিতীয় রানটা অল্পের জন্য পূর্ণ করতে পারেননি নন–স্ট্রাইকিং ব্যাটসম্যান প্রসিধ কৃষ্ণ। দীপক চাহারের থ্রো ধরে তাঁকে রানআউট করে উল্লাসে মাতেন ঠাকুর। পরে টিভি আম্পায়ার শুধু নিশ্চিত করেন আউটটি। ৩৪ বলে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৬৬ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন কামিন্স। ১৯.১ ওভারে কলকাতা অলআউট ২০২ রানে।

বিজ্ঞাপন
default-image

কামিন্স উইকেটে আসেন ১২তম ওভারে কলকাতা ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর। ষষ্ঠ উইকেটে দিনেশ কার্তিককে নিয়ে ৩৯ বলে ৮১ রানের জুটি গড়ে তখন ফিরেছেন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান অলরাউন্ডারের ইনিংসটি সাজানো ৬টি ছক্কা ও ৩টি চারে। রাসেল অর্ধেক ছক্কাই মেরেছেন ঠাকুরের করা ১০ম ওভারে।

রাসেল ফেরার পর কার্তিককে নিয়ে ২২ বলে ৩৪ রান যোগ করেন কামিন্স। ১৫তম ওভারে শেষ বলে কার্তিকের বিদায়ের পর কলকাতার সমীকরণ ৫ ওভারে ৭৫ রানের। স্যাম কারেনের করা পরের ওভারটায় কী ঝড়ই না তুললেন কামিন্স। ওভারে এল ৩০ রান, যার ২৪-ই এসেছে চার ছক্কায়। এর তিনটি আবার টানা তিন বলে।

default-image

পরের ওভারগুলোয় এই ঝড় বয়ে নিয়ে যেতে না পারলেও কাগজে-কলমে কলকাতার সম্ভাবনা টিকে ছিল শেষ পর্যন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সঙ্গীর অভাবে পারলেন না কামিন্স।
এর আগে চেন্নাইয়ের ইনিংসও টেনেছেন তিন ব্যাটসম্যান। ৬০ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় আইপিএলে নিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেছেন ডু প্লেসি। সর্বোচ্চ ৯৬ রানের ইনিংসটি ২০১৯ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।

উদ্বোধনী জুটিতে ডু প্লেসির সঙ্গে ১১৫ রান যোগ করা রুতুরাজ গায়কোয়াড় করেছেন ৪২ বলে ৬৪ রান। এ ছাড়া ১২ বলে ২৫ রান করেন মঈন আলী। সাকিবের বাজে ফর্মের কারণে দল কলকাতার একাদশে সুযোগ পাওয়া সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট।


এই জয়ে চার ম্যাচে ৬ পয়েন্ট হলো চেন্নাইয়ের। নেট রান রেটে আপাতত শীর্ষে দলটি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন