বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না কোহলির। ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে সমস্যা তো আছেই, সম্প্রতি হারিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়কত্ব। গত সেপ্টেম্বরে নিজেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন নিজের ব্যাটিংয়ের প্রতি যত্ন নিতে। টেস্টে এখনো অধিনায়ক থাকলেও ওয়ানডে অধিনায়কত্ব নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে চলে এসেছেন তিনি। কোনো ধরনের আগাম ঘোষণা না দিয়েই হুট করে বিসিসিআই তাঁকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। ব্যাপারটি যে তাঁর ভালো লাগেনি, সেটি তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দেন। বিসিসিআই প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী কোহলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দেন। পরে অবশ্য সে অবস্থান থেকে নীরবেই সরে আসে ভারতীয় বোর্ড।

দলের সব খেলোয়াড় যেখানে হালকা পরিবেশ উপভোগ করছেন, একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করছেন, ছবি তুলছেন, সেখানে কোহলির না থাকাটা প্রশ্নের জন্ম দেয় বৈকি! লোকেশ রাহুল আর অজিঙ্কা রাহানের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার যদি থাকেন, তাহলে কোহলি কেন থাকলেন না?

default-image

দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছেই নিজের ব্যাটিং নিয়ে বেশ সিরিয়াস কোহলি। ২০১৯ সালের পর যে টেস্টে আর সেঞ্চুরিই করতে পারেননি ভারতের টেস্ট অধিনায়ক। ব্যাট হাতে দলের সাফল্যে বড় কোনো অবদান রাখতে না পারার আক্ষেপটা তাঁর দুই বছর ধরেই। এবার এর থেকে নিষ্কৃতি চান। রাহুল দ্রাবিড়ের অধীনে সেই খারাপ সময়টাকেই পেছনে ফেলতে চাইছেন তিনি। সেঞ্চুরিয়নে রাহুল দ্রাবিড়ের ‘ক্লাসে’ও বাড়তি মনোযোগী ছিলেন তিনি। বারবিকিউ পার্টিতে তাঁর না থাকার একটা বড় কারণ হতে পারে সেটিও। তবে ব্যাপারটা যে সবার চোখে লেগেছে, সেটি বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

১৯৯১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে পুনঃপ্রত্যাবর্তন করার পর ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মতো দেশটি সফরে গিয়েছিল ভারত। এর পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সাতবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেখান থেকে কোনো সিরিজ জিতে আসতে পারেনি। এবার কোহলির নেতৃত্বে সেটিই করে দেখাতে চায় ভারত।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন