বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় টেস্টেও ২৭৫ রানের হার। দুই টেস্টেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং বা বোলিং—কোনোটিই আশানুরূপ ছিল না। প্রতি ম্যাচেই ভালো শুরু এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন ইংলিশ ওপেনাররা। অন্যদিকে ইংলিশ পেসাররাও যে খুব ভালো করছেন, এমন নয়। অ্যাডিলেডে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার না নিয়ে নামা ইংল্যান্ডকে হতাশ করেছেন পেসাররা। অনিয়মিত বোলার জো রুট ও ডেভিড ম্যালানই বেশি সফল ছিলেন তাঁদের তুলনায়।

ম্যাচ শেষে তাই পেসারদের কাঠগড়ায় তুলেছিলেন রুট। বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের কাছ থেকেও শিক্ষা নেয়নি তাঁর বোলাররা। ফুল লেংথে বল না করে খাটো লেংথে বল করেছে ইংলিশ পেসাররা। সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উইকেটশিকারি পেসার সেটা মানবেন কেন? টেলিগ্রাফে নিজের কলামে লিখেছেন, ‘পরিসংখ্যান বলছে, এটা অ্যাডিলেডের জন্য বানানো সবচেয়ে ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটগুলোর একটি। এবং দিবারাত্রির ম্যাচগুলোতে এই প্রথম গোলাপি বল এত কম সাহায্য করেছে। আমরা এমন এক উইকেটে ভালো ব্যাট করিনি।’

default-image

দুই টেস্টের চার ইনিংসে ইংল্যান্ড যথাক্রমে ১৪৭, ২৯৭, ২৩৬ ও ১৯২ রান করেছে। দিবারাত্রির টেস্টের ইতিহাসেই সবচেয়ে ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটে একবারও আড়াই শ পেরোতে পারেনি সফরকারীরা। ৩৯ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন তাই ব্যাটসম্যানদেরই দায় দেখছেন।

দেখছেন অধিনায়কত্বের ভুলও, বোলারের দৃষ্টিতে দেখলে, ‘আপনি সব সময় সঠিক লেংথে বল করতে চাইবেন। আমরা প্রথম দুদিনে সে চেষ্টাই করেছি।। হয়তো আমাদের কিছু সময় আরেকটু সামনে বল ফেলা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা বেশ কিছু সুযোগ সৃষ্টি করেছি, যেগুলো নেওয়া হয়নি। আমাদের ম্যাচ বিশ্লেষণ করায় আরও ভালো হতে হবে। ম্যাচ শেষে আমরা বলতে পারি না, বোলারদের আরও সামনে বল করা উচিত ছিল। একটা দল হিসেবেই আমাদের আরও সক্রিয় হতে হবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন