বিজ্ঞাপন
default-image

লিভিংস্টোনের ধারার মতো রেকর্ডের প্রপাত বয়ে গেছে ম্যাচে। ২৩২ রান আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ। তাড়া করতে ট্রেন্ট ব্রিজে একটা ‘প্রথমে’র সাক্ষী হলেন পাকিস্তানের বোলাররা।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ছেলে (১৭১ ম্যাচ) ও মেয়েদের (১২৩ ম্যাচ) সংস্করণ মিলিয়ে কাল রাতের (বাংলাদেশ সময়) আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল না। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক এ সংস্করণে (টি-টোয়েন্টি) পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির কীর্তিটি লিভিংস্টোনের।

শেষ পর্যন্ত রেকর্ডের বান বইয়ে দেওয়া ম্যাচে ৪ বল হাতে রেখে ২০১ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের কাছে ধবলধোলাই হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে পাকিস্তান। ৩০ রানে ৩ উইকেট নেওয়া শাহিন শাহ আফ্রিদি বোলিংয়ে গড়ে দেন দলের ভিত।

default-image

বাবর আজমের দলের দুর্দান্ত এ পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্লেষক মাইকেল ভন। ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দল। তাদের বিপক্ষে পাকিস্তানের এ জয় নিয়ে টুইট করেন ভন, ‘অননুমেয় পাকিস্তানকে দেখার মজাটাই আলাদা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তারা গেঁয়ো দল থেকে বিশ্বসেরাদের হারিয়ে দেওয়া দল বনে গেল! তাদের খেলা দেখতে ভালোবাসি।’

ভনের কথার পক্ষে সাফাই গাইবে পাকিস্তানের অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্স। ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচে পাকিস্তানের স্কোর ছিল টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো—১৪১ ও ১৯৫। কিন্তু টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে তাদের স্কোর হলো ওয়ানডের মতো!

তাতে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর—৩ ছক্কা ও ৮ চারে স্ট্রোকের দ্যুতি ছড়িয়ে ৪৯ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। ১৪.৪ ওভারের মধ্যে ওপেনিং জুটিতে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে ১৫০ রানের জুটি গড়েন বাবর। ১ ছক্কা ও ৮ চারে ৪১ বলে ৬৩ রান করেন রিজওয়ান।

default-image

তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ৪৮ রান তুলতে হারিয়েছে ৩ উইকেট। তখন অবশ্য পঞ্চম ওভারের খেলা চলছিল। লিভিংস্টোন এখান থেকে ৯ ছক্কা ও ৬ চারে খেলেছেন ৪৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস। ১৭ বলে তুলে নেন ফিফটি, সেটাও তিনটি ভিন্ন রেকর্ডে উঠেছে। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটি দ্রুততম ফিফটি, ইংল্যান্ডের হয়েও দ্রুততম, দ্রুততম পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে।

১৭তম ওভারে দলীয় ১৮৩ রানে আউট হন লিভিংস্টোন। ওই ওভার শেষে জয়ের জন্য ১৮ বলে ৪৪ রান দরকার ছিল ইংল্যান্ডের। এখান থেকে আর পারেনি এউইন মরগানের দল।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন