default-image

গুজরাটের লক্ষ্যটা ছিল ১৭৮ রানের। দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও শুবমান গিল ছন্দে আছেন। মিডল অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়া, ডেভিড মিলারও ভালো খেলছেন। আর লোয়ার অর্ডারে নামা রাহুল তেওয়াতিয়া তো ফিনিশারের ভূমিকাটা দারুণভাবে পালন করছেন। গুজরাটের জন্য এই লক্ষ্য বড় হওয়ার কথা নয়। গুজরাটকে ভালো শুরুও এনে দেন ঋদ্ধিমান ও গিল। দুজনের ওপেনিং জুটিতে ১২.১ ওভারে আসে ১০৬ রান। জুটি ভাঙে ৩৬ বলে ছয় চার ও দুই ছয়ে গিল ৫২ রান করে আউট হলে। সেই ওভারেরই শেষ বলে ফিরে যান ঋদ্ধিমানও। আউট হওয়ার আগে ছয় চার ও দুই ছয়ে ৪০ বলে ৫৫ রান করেছেন তিনি।

দুই ওপেনারের আউটের পর গুজরাটকে জয়ের পথে রাখেন পান্ডিয়া ও সাই সুদর্শন। তৃতীয় উইকেটে ১৮ বলে ২৭ রান তোলেন তাঁরা। পান্ডিয়া ১৪ বলে ২৪ আর সুদর্শন ১১ বলে ১৪ রান করে আউট হয়েছেন। সুদর্শন ও পান্ডিয়ার আউটের পর হঠাৎ করেই সবকিছু যেন পাল্টে যেতে থাকে। এর আগে বেশ কয়েকটি ম্যাচ জেতানো মিলার ও তেওয়াতিয়ার ব্যাটে বল ঠিকভাবে আসছিল না। এ ম্যাচটি আর গুজরাটকে শেষ পর্যন্ত জেতাতে পারলেন না তাঁরা।

default-image

এর আগে মুম্বাই ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তুলতে পেরেছে রোহিত ও ঈশান কিষানের ওপেনিং জুটির ওপর ভিত্তি করে। মাত্র ৭.৩ ওভারে দুজনে মিলে তুলেছেন ৭৪ রান। রশিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে রোহিতের ব্যাট থেকে এসেছে ২৮ বল খেলে ৪৩ রান, যা এবারের আইপিএলে তাঁর সর্বোচ্চ। রোহিতের শুরুর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের কারণে ঈশান খেলেছেন একটু ধীরলয়ে। রোহিতের আউটের পর হাত খোলেন ঈশানও। ২৯ বল খেলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৫ রান করেন এই বাঁহাতি।

দুজনের বিদায়ের পর খেই হারায় মুম্বাইয়ের ব্যাটিং। ১২তম ওভারে দলীয় ১১১ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর শেষ পর্যন্ত মুম্বাই ১৭৭ রান করতে পেরেছে। সেটাও টিম ডেভিসের ২ চার ও ৪ ছয়ে ২১ বলে ৪৪ রানের ইনিংসের কারণে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন