আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৫১ রান তুলেছিল মুম্বাই। তাড়া করতে নেমে ৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে বেঙ্গালুরু। ওপেনার অনুজ রাওয়াত ও ফাফ ডু প্লেসি ৮.১ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে ৫০ রান যোগ করার পর হাল ধরেন কোহলি। ৩৬ বলে তাঁর ৪৮ রানের ইনিংসের পাশাপাশি রাওয়াতের প্রশংসাও করতে হয়।

কোহলির সঙ্গে পাল্লা দিয়েই ব্যাট করেছেন এই বাঁহাতি। তাঁর কাছ থেকে এসেছে ৪৭ বলে ৬৬ রানের ইনিংস। আইপিএলে এবার মুম্বাইকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। এ পর্যন্ত চার ম্যাচের সব কটিতেই হারল মুম্বাই। চার ম্যাচে এটি তৃতীয় জয় বেঙ্গালুরুর।

default-image

ডু প্লেসি ২৪ বলে ১৬ রান করে জয়দেব উনাদকাটের বলে আউট হওয়ার পর ৭২ বলে ১০২ রান দরকার ছিল বেঙ্গালুরুর। এখান থেকে কোহলি-রাওয়াত হাত খুলতে দেরি করেননি। নবম ওভারে কাইরন পোলার্ড ও দশম ওভারে মুরুগান অশ্বিনের কাছ থেকে যথাক্রমে ৮ ও ১০ রান তুলে রোমাঞ্চকর রান তাড়ার অভিযাত্রা শুরু করেন কোহলি-রাওয়াত। মাঝে সুবিধামতো বাজে ডেলিভারি পেলে কিংবা জায়গা করে বানিয়ে মারতে পিছপা হননি দুই ব্যাটসম্যান।

৫২ বলে তাঁদের ৮০ রানের জুটিটা শেষ পর্যন্ত ভেঙেছে ১৭তম ওভারে। ৬ ছক্কা ও ২ চারে দারুণ ব্যাট করা রাওয়াত রান আউট হওয়ার পরও লড়াই করতে পারত মুম্বাই। শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য ২১ রান দরকার ছিল বেঙ্গালুরুর। চাপের ম্যাচে এসব পরিস্থিতি থেকে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে! আর টি-টোয়েন্টিতে একটা ভালো ওভারই তো ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে!

কোহলি ১৯তম ওভারে যখন আউট হলেন বেঙ্গালুরু তখন জয়ের সুবাস পাচ্ছে। কোনো ছক্কা ছাড়াই মাত্র ৫ চারে সাজানো কোহলির ইনিংসটি বেঙ্গালুরু জয়ে দারুণ কাজে লেগেছে। ১২ বলে ৮ রানের সমীকরণে থাকতে কোহলি আউট হওয়ার পর ওই ওভারেই টানা দুই চারে বেঙ্গালুরুকে জয় এনে দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। উনাদকাট ও ব্রেভিস ১টি করে উইকেট নেন।

এর আগে মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটিটি এসেছে সপ্তম উইকেটে। ৩৭ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকা সূর্যকুমার যাদব উনাদকাটকে নিয়ে ৪১ বলে অবিচ্ছিন্ন ৭২ রানের জুটি গড়েন। এর মধ্যে সূর্যকুমারের একার অবদানই ২৭ বলে ৫৬। ৬ ছক্কা ও ৫ চারে ইনিংসটি সাজান সূর্যকুমার। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও ইশান কিষানের ব্যাট থেকে এসেছে ২৬ রান। হর্শল প্যাটেল ও হাসারাঙা ২টি করে উইকেট নেন বেঙ্গালুরুর হয়ে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন