আফিফ সে ম্যাচের পর থেকে টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিতই। তবে সে সংস্করণে ‘দ্বিতীয় সুযোগ’-এ ঝলক দেখালেও ২০২০ সালে অভিষেকের পর ওয়ানডেতে ঠিক সেটি দেখাতে পারেননি। চট্টগ্রামে আজ আফিফের সামনে সুযোগটি এল আরেকবার, নিজের সামর্থ্য জানানোর। আফিফ কাজে লাগালেন সেটি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আফিফ বলেন সুযোগ কাজে লাগানোর কথাই, ‘দেশের জন্য ভালো খেলাটা সব সময় গর্বের একটা ব্যাপার। তো চেষ্টা থাকে সব সময় ভালো করার। কোনো সময় হয়, কোনো সময় হয় না। তো আজকে যেহেতু বড় একটা সুযোগ ছিল, এ রকম বড় সুযোগ পাওয়া যায় না। বড় সুযোগ পেয়েছি, এটা কাজে লাগাতে চেয়েছি।’

default-image

২১৫ রান তাড়ায় ৪৫ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর কিছু করে দেখানোর সুযোগ থাকে ঠিকই, তবে কাজটা সহজ হয় না। গড়তে হয় ইতিহাস। মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে আফিফ সে ইতিহাসই গড়লেন। অবশ্য ব্যাটিংয়ের সময় তাঁরা অত কিছু ভাবেননি, সবকিছু রাখতে চেয়েছেন ‘সরল’ই, ‘পুরো খেলাটায় আমরা ম্যাচ জেতানোর ব্যাপারে কথা বলি নাই। আমাদের শুধু কথা ওটাই ছিল যে আমরা উইকেট দেব না, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করব।’

‘শেষ পর্যন্ত চেষ্টা’ করে যাওয়ার পথেই আফিফ আগের সর্বোচ্চ স্কোর ছাড়িয়ে পেয়ে গেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক।

লক্ষ্যটা বলের অনুপাতে তেমন বড় নয় বলে ‘দেখেশুনে’ খেলার পরিকল্পনাটাও করতে পেরেছেন তাঁরা, ‘প্রথম থেকে আমাদের লক্ষ্য একটাই ছিল যে উইকেট দেব না, রান যা আসবে। এলে ভালো না এলে কিছু করার নাই। শেষের দিকে তো খেলা “বল টু বল” ছিল। পরিকল্পনা ছিল কেবল স্বাভাবিক খেলাটা খেলব।’

default-image

মাঝে ফ্লাডলাইটের ত্রুটিতে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল খেলা, তবে আফিফ-মিরাজের ছন্দপতন হয়নি তাতেও। অমন পরিস্থিতি থেকেও আফিফ-মিরাজ জেতাতে পারবেন, শুরুতে এমন ভাবতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

তবে একসময় বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়িয়েছিল ড্রেসিংরুমে, আফিফদের কাছেও বার্তা গিয়েছিল অমন, ‘ড্রেসিংরুম থেকে একটা বার্তাই ছিল যে আমরা যেভাবে যাচ্ছিলাম সেভাবেই যেন যাই। উইকেট না দিয়ে, উইকেট যেন হাতে রাখি। আমরা দুজন যদি উইকেটে থাকি ম্যাচটা জেতা সম্ভব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন