বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৩৭ বছর বয়সী এ পেসার জাতীয় দলে সুযোগ না পেলেও ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে পরিচিত মুখ। ইয়র্কশায়ার, ডারহাম, কেন্টের পর সাসেক্সের হয়ে খেলছেন তিনি। গত মাসে বব উইলিস ট্রফির ম্যাচে তাঁর বিরুদ্ধে বলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (জীবাণুনাশক) মাখানোর অভিযোগ উঠেছে। সে ম্যাচে মিডলসেক্সের প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নেন ক্লেডন। নিষিদ্ধ হওয়া এবং তদন্ত চলায় সারের বিপক্ষে পরের ম্যাচ খেলতে পারবেন না তিনি। তদন্ত চালাচ্ছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

default-image

সাসেক্সের ওয়েবসাইটে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিডলসেক্সের বিপক্ষে ম্যাচে বলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাখানোর অভিযোগ তুলেছে ইসিবি। এর ফল পাওয়ার আগে মিচ ক্লেডনকে নিষিদ্ধ করা হলো। এ নিয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।’ ক্লেডনের জায়গায় ডেভিড ভিসেকে নিয়েছে সাসেক্স।

ক্রিকেটের শুরু থেকে বলের চকচকে ভাব ধরে রাখার জন্য এবং সুইংয়ের কারিশমা দেখানোর জন্য লালার ব্যবহার করে আসছেন বোলাররা। অনেক দল তো শুধুমাত্র এই কাজটা ভালো পারেন বলে কিছু কিছু ফিল্ডারকে আনুষ্ঠানিকভাবে লালা মাখানোর দায়িত্বটি দিয়ে রেখেছিল। ফলে স্বাভাবিকভাবে লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ায় ক্রিকেটে বোলারদের কী হবে, এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে এখনো। বিকল্প হিসেবে শরীরের ঘাম মাখানোর কথা বলা হচ্ছে কিংবা মোমের প্রলেপ। কিন্তু ক্লেডন যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাখিয়ে বসবেন তা জানত কে!

এর আগে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টে বলে ভুল করে লালা মাখিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ডম সিবলি। সিরিজে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে বলে ভুলবশত লালা মাখান তিনি। প্রথমবার বলে সে যাত্রায় রক্ষা পেয়ে যান সিবলি। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী এক ইনিংসে এই একই ভুল দুবার করলে প্রতিপক্ষ দলের খাতায় ৫ রান যোগ হবে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন