বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিটনের প্রতিভা নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। সেই প্রতিভার পূর্ণ সদ্ব্যবহার তিনি কখনোই করতে পারেননি। তবে সাম্প্রতিক কালে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ব্যাট যথেষ্টই উজ্জ্বল। কিছুদিন আগেই চট্টগ্রামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শতকটি পেয়েছেন। সেটি তিনি পেতে পারতেন আরও আগেই। কিন্তু নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়াটা যে নিয়মে পরিণত করেছিলেন মাঝে। প্রথম শতকের আগে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর আছে দুটি নড়বড়ে নব্বইয়ের ইনিংস। টেস্টের শেষ দশ ইনিংসে লিটন দারুণ। এ সময় একটি সেঞ্চুরি ছাড়াও তিনি করেছেন ৬টি পঞ্চাশ।

default-image

আজ মাউন্ট মঙ্গানুইতে নিউজিল্যান্ডের বিধ্বংসী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে কর্তৃত্ব নিয়েই খেলছিলেন। ১৭৭ বলে ১০টি বাউন্ডারি মেরে নিজের সংগ্রহকে নিয়ে গিয়েছিলেন ৮৬-তে। আরও একটি শতক যখন তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে, ঠিক তখনই ট্রেন্ট বোল্টের অফ স্টাম্পের বাইরের একটি বলে খোঁচা দিয়ে আউট হলেন তিনি। শতকের আক্ষেপ থাকলেও লিটনের ইনিংসটি কিন্তু ঠিকই প্রশংসা পেল। চোখের জন্য দারুণ ইনিংস যে সেটি। চুপ করে বসে থাকতে পারলেন না হার্শা ভোগলেও।

default-image

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য কিছুতেই ফুল হয়ে ফুটতে পারছে না লিটনের প্রতিভা। অথচ সাদা বলের ক্রিকেটে যেদিন লিটন খেলেন, সেদিন কী কী করতে পারেন, তার যথেষ্ট প্রমাণ আছে। হাতে যথেষ্ট শট আছে বলেই সাদা বলে তিনি হতে পারেন বাংলাদেশের অন্যতম ম্যাচ উইনার। কিন্তু লিটন কেন যেন ম্রিয়মাণ সেখানে? অন্তত টেস্টে তিনি যতটা ধারাবাহিক, ৫০ ও ২০ ওভারের ক্রিকেটে তিনি সেভাবে ধারাবাহিক নন। রঙিন পোশাকে তিনি কবে ধারাবাহিকভাবে প্রতিভার ফুল ফোটাবেন, সেটির অপেক্ষায় এখন সবাই।

আপাতত লিটনের আরও একটি দারুণ টেস্ট ইনিংসকে উদ্‌যাপন করা যাক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন