বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ল্যাথাম এরপর ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের সর্বোচ্চ ইনিংসকেও—২০০৪ সালে চট্টগ্রামে এর আগে ২০২ রান করেছিলেন স্টিফেন ফ্লেমিং।

ক্যারিয়ারসর্বোচ্চ ২৬৪ রানের নিজের রেকর্ড এবার ছুঁতে পারেননি ল্যাথাম। তবে ফ্লেমিংয়ের পর মাত্র দ্বিতীয় নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ২৫০ রানের ইনিংস খেললেন তিনি।

৬৭.৫৬

এ ইনিংসে ল্যাথাম ব্যাটিং করেছেন ৬৭.৫৬ স্ট্রাইক রেটে। ক্যারিয়ারে ১২টি শতক ইনিংসে কিউই অধিনায়কের এটিই সবচেয়ে দ্রুতগতির।

৫ টেস্টের ক্যারিয়ারে কনওয়ের এটি তৃতীয় শতক। ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ টেস্টে কমপক্ষে তিনটি শতক ছিল এর আগে মাত্র চারজনের—সুনীল গাভাস্কার (৪), জর্জ হেডলি (৪), কোনরাড হান্টে (৩), ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান (৩)।

ল্যাথামের পর কনওয়ে—নিউজিল্যান্ডের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের দুজনই পেলেন শতকের দেখা। প্রথম ইনিংসে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের মধ্যে দুইটি ১০০ রানের ইনিংস—নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এমন ঘটনা এ নিয়ে পঞ্চমবার। সর্বশেষ ঘটেছিল ২০১৩ সালে, এ শতাব্দীতে এমন ঘটল এ নিয়ে দ্বিতীয়বার।

২১৫

ল্যাথাম ও কনওয়ে দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেছেন ২১৫ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে যেটি নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটি ছিল কনওয়ে ও উইল ইয়াংয়ের—সিরিজের প্রথম টেস্টে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে হয়েছিল সেটি। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ তালিকায় সবার ওপরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোয়ি ক্যারু ও সেমর নার্স জুটি—১৯৬৯ সালে ক্রাইস্টচার্চেই দুজন যোগ করেছিলেন ২৩১ রান।

অভিষেকে ০ রানে আউট হওয়া ২৫তম বাংলাদেশ ব্যাটসম্যান হলেন মোহাম্মদ নাঈম। অভিষেকে ‘পেয়ার’ বা জোড়া শূন্য পেয়েছিলেন আলমগির কবির ও কামরুল ইসলাম। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে শূন্যতে ফিরলেন নাঈম। এ তিনজনই খেলেছেন গত দুই বছরে—২০২০ সালে সাইফ হাসান, গত বছরের শেষে মাহমুদুল হাসান।

৪/১১, ৫/২৭

১১ রানে ৪ উইকেটের পর প্রথম ইনিংসে ২৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এর আগে কখনোই এত কম রানে ৪ বা ৫ উইকেট হারায়নি তারা। সবচেয়ে কম রানে ৪ ও ৫ উইকেট হারানোর রেকর্ডটি ছিল ২০০৮ সালে ওয়েলিংটনে। সেবার ৪৪ রানে চতুর্থ ও ৪৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে সেবার ১১৩ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল তারা।

৩০০

মেহেদি হাসান মিরাজকে বোল্ড করে মাত্র চতুর্থ নিউজিল্যান্ড বোলার হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেট পেয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট। ৭৫তম ম্যাচ খেলছেন এ পেসার। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তাঁর ওপরে আছেন রিচার্ড হ্যাডলি (৪৩১), ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (৩৬১) ও টিম সাউদি (৩২৮)।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন