২৩ বছর আগে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ অভিষেক। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে কী দাপটেই না শুরু হয়েছিল তাদের বিশ্বকাপ পথচলা। এরপর শুধুই আক্ষেপের গল্প। অদ্ভুত নিয়ম, টাই ম্যাচ, বৃষ্টি, ভুল হিসাব—কত বিচিত্র উপায়েই না শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ তাদের কাছে আক্ষেপের নাম হয়ে গেছে! আর তাদের গায়ে লেপটে গেছে ‘চোকার’ তকমা।
আরেকটি বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি সুযোগ সেই ‘অপবাদ’ ঘোচানোর। এবার কি ঘুচবে সেই ব্যথা, নাকি আক্ষেপের গল্পে যোগ হবে আরেকটি অধ্যায়?
দক্ষিণ আফ্রিকার দীর্ঘ পথের শুরুটা হচ্ছে আজ, তাদের প্রথম বাধা জিম্বাবুয়ে। দুই দলই এই বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রতিনিধি। আইসিসির ওডিআই র্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ নম্বর, জিম্বাবুয়ে ১০। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ৪-১ ব্যবধানে, আর জিম্বাবুয়ে হয়েছে ধবলধোলাই। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের চিত্রটা একপেশে নয়। শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারানোর সঙ্গে বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ম্যাচে কিউইদেরও চেপে ধরেছিল জিম্বাবুইয়ানরা। আর দক্ষিণ আফ্রিকা কিউইদের কাছে হেরেছে ১৩৪ রানে, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে জিতেছে ৫ উইকেটে।
মুখোমুখি লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপে কিন্তু লড়াইটা সমানে সমান। ১৯৯২ সালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৯৯৯ সালে হেরেছিল ৪৮ রানে। এবি ডি ভিলিয়ার্সের স্মৃতিতে অবশ্য গত আগস্টে জিম্বাবুয়ের অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ঘটনাটা সজীব, ‘আমরা জিম্বাবুয়ের সামর্থ্য জানি। বেশি দিন হয়নি তারা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে। তারা বিপজ্জনক দল, তাদের কোচও (ডেভ হোয়াটমোর) অসাধারণ। দুই দলের জন্যই শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ।’
জিম্বাবুয়ের প্রেরণা হতে পারে কোচ ডেভ হোয়াটমোরের বিশ্বকাপ ইতিহাসও। ১৯৯৬-এ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, ২০০৭-এ সুপার এইটে নিয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশেকে। অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরাও তাঁর সান্নিধ্যে খুশি, ‘তিনি অভিজ্ঞ। তিনি ভিন্ন কৌশলও এনেছেন দলের মধ্যে। তাঁর অধীনে আমরা যে দুটি ম্যাচ খেলেছি, সেগুলোর দিকে তাকালেই আপনি দেখবেন, আমরা সঠিক পথেই আছি।’ এএফপি, ক্রিকইনফো।
মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা–জিম্বাবুয়ে
ম্যাচ দ. আফ্রিকা জিম্বাবুয়ে টাই/পরি.
মোট ৩৭ ৩৪ ২ ০/১
বিশ্বকাপে ২ ১ ১ ০/০

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন