বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল ম্যাচ শেষে ‘কাকে ছেড়ে কার প্রশংসা করি’ এমন এক অবস্থা চলছিল ভারতের। কিন্তু সনিতে বিশ্লেষকের ভূমিকায় থাকা গাভাস্কারের কণ্ঠে শুধু শার্দুল-স্তুতি। এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় গ্যাবা টেস্টেও দুর্দান্ত এক ফিফটিতে মুগ্ধ করেছিলেন এই অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ড সফরের প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ শার্দুল ওভালে আবার সুযোগ পেয়েছেন। আর সেটিই কাজে লাগালেন নামের সার্থকতা প্রমাণ করে। গাভাস্কারের স্তুতিকে তাই অত্যুক্তি বলে মনে হয় না, ‘এই মুহূর্তে...সে যা-ই ধরছে, সোনা হয়ে যাচ্ছে। ওর কয়েকটি শট তো অপূর্ব ছিল...ওই ছক্কা, স্ট্রেট ড্রাইভ। দেখার জন্য দুর্দান্ত ছিল। আর যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে সে ব্যাট করেছে, সেটা বোঝাই যায়। ওর এ বিষয়টাই বেশি মুগ্ধ করেছে।’

default-image

প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ১২৭ রান করা ভারত ধুঁকছিল। আটে নেমে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছিলেন শার্দুল। দ্বিতীয় ইনিংসেও রবীন্দ্র জাদেজা, কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানেকে হারিয়ে ফেলার পর ২২০ এর মতো লিডের সম্ভাবনা জেগেছিল। কিন্তু সপ্তম উইকেটে ঋষভ পন্তের সঙ্গে সেঞ্চুরি জুটিতে লক্ষ্যটা ইংল্যান্ডের নাগালের বাইরে নিয়ে গেছেন। ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচ ড্র করার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল উদ্বোধনী জুটির সুবাদে। শতরানের জুটিটা ভেঙেছেন ওই শার্দুল। এরপরও ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু স্বাগতিকদের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র জো রুটকে ফিরিয়েছেন শার্দুল।

default-image

গাভাস্কারের ধারণা, ভারতের পেস বোলিং অলরাউন্ডারের অভাবটা হার্দিক পান্ডিয়া ছোট ফরম্যাটে মেটালেও টেস্টে এ কাজটা শার্দুলের পাওয়া উচিত, ‘বিশেষ করে ইংল্যান্ডে। এখানে বল মুভ করে, সে দারুণ একটা বল করেছে। এটা উইকেটে পরে বাঁহাতি ররি বার্নসকে একদম বোকা বানিয়েছে। এমন এক বল দিয়ে ব্যাটসম্যানকে ধোঁকা দিতে বিশেষ দক্ষতা দরকার হয়। এবং সে এটিই করেছে। এবং এরপর তো জো রুটকে ফেরানো। ওর একটা বল আছে যা ভেতরে ঢোকে এবং রুট বলটা পয়েন্টে পাঠাতে গিয়েই ইনসাইড এজ করেছে। কারণ বলটা ভেতরে ঢুকেছে। সে ব্যাট হাতে অবদান রাখে, বল হাতেও। দলের আট নম্বরের জন্য যাকে দরকার তাকে পেয়ে গেছে ভারত। বিশেষ করে ইংল্যান্ড ও সম্ভবত দক্ষিণ আফ্রিকার জন্যও।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন