বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘রিপাবলিক টিভি’র সঙ্গে আলাপচারিতায় শাস্ত্রী বলেছেন, এত দিন লোকে তাঁকে নানা বিষয়ে বিচার করেছেন। ভালো-মন্দ নানা রকম মন্তব্য করেছেন। কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর এখন তিনি সেসব লোকের ‘বিচারকদের চেয়ারে’। শাস্ত্রীর ভাষায়, ‘আমার জীবনের সাত বছর নিয়ে সবাই কথা বলেছে। এখন তাদের বিচারক হওয়ার সময় আমার।’

২০১৭ সালে ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্ব পান শাস্ত্রী। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তাঁর মেয়াদ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ভারতের মতো ক্রিকেটপাগল দেশে দল হারলে সমালোচনা হবেই। শাস্ত্রী তা জানেন। তবে সীমাহীন সমালোচনা দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এসব পাত্তা দেওয়া উচিত নয় বলেই মনে করেন শাস্ত্রী, ‘ভারতে ক্রিকেট ধর্মের মতো। পাঁচ ম্যাচ জিতে হারবেন, লোকে পিস্তল কিংবা কলম বের করবে। কখনো কখনো এসব হজম করা কষ্টকর। আমরা অনেক ম্যাচ জিতেছি, লোকের তাই হার সহ্য হয় না। তবে বুক পেতে এসব বুলেট (সমালোচনা) নেওয়াই কোচের কাজ। সমালোচনা হবেই, এসব পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে যাওয়াই হলো মূল কাজ।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের দল গড়া নিয়েও কথা বলেন শাস্ত্রী। শিখর ধাওয়ান ও যুজবেন্দ্র চাহালকে বাইরে রেখে দল গড়া হয়। এ নিয়ে তখন প্রশ্ন উঠেছিল। সাদা বলের সংস্করণে ভারত দলে এ দুই ক্রিকেটার প্রায় নিয়মিত মুখ ছিলেন এবং আইপিএলেও ভালো পারফর্ম করেন।

দল গড়া নিয়ে শাস্ত্রীর ভাষ্য, ‘দল নির্বাচনে আমার কোনো ভূমিকা নেই। হ্যাঁ, নির্বাচক হিসেবে আমারও জবাবদিহির জায়গা আছে। কারণ, দল বেছে নেওয়ার যে নির্বাচন প্রক্রিয়া, আমি সেটার অংশ। তবে ১৫ জনের দল নির্বাচকেরাই বেছে নেন। এমনকি অধিনায়কেরও সেখানে কোনো ভূমিকা নেই।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন