বিজ্ঞাপন

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে, মূল্যায়নের পর ল্যাঙ্গারকে ‘কঠিন ও সোজাসাপ্টা’ ভাষায় তাঁর কোচিংয়ের সমস্যাগুলো নিয়ে বলা হয়েছে। এখন বছরের বাকি সময়ে ল্যাঙ্গার নিজেকে শুধরে নিতে পারলে তাঁর সঙ্গে নতুন চুক্তি করতে পারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।

কিন্তু ল্যাঙ্গার নিজেকে পাল্টাতে না পারলে অন্য পথে হাঁটবে সিএ। আপাতত বর্তমান চুক্তির শেষ বছরে পা রেখেছেন ল্যাঙ্গার। প্রতি মৌসুম শেষেই পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করা হয় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে। এবার খেলোয়াড় ও স্টাফ মিলিয়ে ৪০ জনের মতামতের ভিত্তিতে মূল্যায়নটি করা হয়েছে।

default-image

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান ল্যাঙ্গার ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন। তাঁর কঠোর ব্যবস্থাপনা ও হুটহাট মেজাজ-মর্জি পাল্টে যাওয়ার বিষয়ে অসন্তুষ্টি রয়েছে খেলোয়াড়দের মধ্যে। গত জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ হারের পর ল্যাঙ্গারের এমন স্বভাব নিয়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল ড্রেসিং রুমে।

দলের লিডারশিপ কনসালট্যান্ট টিম ফোর্ডের করা আরও এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়েরা ড্রেসিং রুমে আরও বেশি কর্তৃত্ব পাবেন, ড্রেসিং রুম ও দলকে নিজের মনে করতে হবে খেলোয়াড়দের—এই প্রক্রিয়াটা ল্যাঙ্গারের কাজের ধারার পুরো বিপরীত।

নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষে অস্ট্রেলিয়া দলে স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের ফেরা এবং তাঁদের সহজে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াটাও মূল্যায়নে রেখেছেন টিম ফোর্ড। এই প্রতিবেদন তিনি টিম পেইন এবং অ্যারন ফিঞ্চদের কাছে উপস্থাপন করবেন। কোন খেলোয়াড় কিংবা স্টাফ মূল্যায়নে কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা গোপন রাখা হয়েছে।

default-image

সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের দাবি, প্রথম মূল্যায়নের তুলনায় দ্বিতীয়বারের মূল্যায়ন ল্যাঙ্গারের নেতৃত্বগুণ নিয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) দুটি মূল্যায়ন মিলিয়েই মনে করছে ল্যাঙ্গারের প্রতি খেলোয়াড়দের সমর্থন রয়েছে।

সিএ-র জাতীয় দল প্রধান বেন অলিভার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মাঠ ও মাঠের বাইরে সবকিছুর উন্নয়নে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এসব তারই অংশ। আশা করি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও অ্যাশেজের প্রস্তুতিতে এসব ভূমিকা রাখতে পারবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন