বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গল্পের অন্যতম নায়ক যে নাসুম হবেন, সেই ইঙ্গিত তিনি দিয়েছিলেন ইনিংসের প্রথম ওভারেই। যখন নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রকে শূন্য রানে আউট করেন তিনি। সে ওভারে কোনো রানই দেননি তিনি। দ্বিতীয় ওভারে এসে ভয়ংকর হয়ে ওঠা আরেক ওপেনার ফিন অ্যালেনকে পয়েন্ট ফিল্ডারের ক্যাচে ফেরান নাসুম।

নাসুমের বাকি দুই শিকার আসে তাঁর চতুর্থ ওভারে। ইনিংসের ১১ তম ওভারে বোলিং করতে এসে পর পর দুই বলে হেনরি নিকোলস আর কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। তবে নিউজিল্যান্ড ইনিংসের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা দিয়েছেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান। রবীন্দ্রর আউটে তিনে নামা অধিনায়ক টম ল্যাথাম এক-দুই রান নিয়ে ভালোই খেলছিলেন। দ্রুত রান না নিলেও উইল ইয়াংয়ের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। ১১ তম ওভারে সেই জুটি ভাঙেন মেহেদী। দারুণ অফ স্পিনে ক্রিজ থেকে বেরিয়ে আসা ল্যাথামকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন তিনি। ২৬ বল খেলে ২১ রান করা ল্যাথামের ইনিংসের সমাপ্তি সেখানেই।

default-image

নিউজিল্যান্ড ইনিংসকে চাপে রাখার বাকি কাজটা করেন বাঁহাতি পেসার মোস্তফিজুর রহমান। আরেক পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিজের বোলিংয়ে ফিল্ডিং করতে গিয়ে হাতে চোট পেয়েছিলেন। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়। পরে অবশ্য মাঠে ফিরেছেন, বোলিংও করেছেন। তবে ডেথ ওভারে মোস্তাফিজই ছিলেন কিউইদের আতঙ্ক।

১৬তম ওভারে টম ব্লান্ডেল ও কোল ম্যাককনকির উইকেট নেন মোস্তাফিজ। দুজনের আউটই দুটি দুর্দান্ত ক্যাচের ফল। ব্লান্ডেল মোস্তাফিজকে তুলে মারতে গিয়ে মিড অনে ঝাঁপিয়ে পড়া মোহাম্মদ নাঈমের তালুবন্দী হন। ম্যাককনকির ইনিংস শেষ হয় মোস্তাফিজেরই অবিশ্বাস্য এক ক্যাচে। কিউই ব্যাটসম্যানরা যখন আসা যাওয়ায় ব্যস্ত, তখন ইয়াংই এক প্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। কন্ডিশন জয় করে তিনি ৪৮ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। সেই ইনিংসও থামে মোস্তাফিজের হাতে। ব্লেয়ার টিকনারের উইকেট নিয়ে ৩.৩ বলে ১২ রান দিয়ে তাঁর চতুর্থ উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন