বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বছরের শেষ ভাগটা মোটেও ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। পরিসংখ্যান ২০২১ সালে বাংলাদেশ সবচেয়ে সফল ছিল জানালেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবি, পাকিস্তানের কাছে টানা দুই সিরিজে হার চোখে বিঁধবে। ৭ টেস্টে মাত্র ১ জয়ও মুমিনুলের দলের পক্ষে কথা বলছে না। অবশ্য টেস্ট সংস্করণে বাংলাদেশের ভোগান্তি নতুন কিছু না। বিদেশের মাটিতে তো তা আরও প্রকট। তবু আগে কী হয়েছে তা ভুলে গিয়ে নতুন বছরে ভালো শুরুর আশায় বুক বাঁধলেন মুমিনুল, ‘আগে কী হয়েছে এসব নিয়ে চিন্তা না করে সামনের বছর কীভাবে ভালো করে শুরু করা যায়, এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আসলেই আমি খুব এক্সাইটেড। শুরু ভালো হলে বাকিটাও ভালো যায়।’

গত বছরের পারফরম্যান্সে তাকিয়ে মুমিনুলের মন্তব্যের শেষ কথাটি নিয়ে অনেকে আপত্তি তুলতে পারেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বছর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ ভাগে এসে পারফরম্যান্স নিচে নেমেছে। এমনকি বছরের মাঝপথেও নিউজিল্যান্ড সফরে ভুগেছে বাংলাদেশ। হারতে হয় ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শ্রীলঙ্কা সফরেও গিয়েও ফল পাল্টায়নি। তাই বছরের শুরুটা ভালো হলে যে বাকি পথটাও মসৃণ হয়, এই ধারণা সব সময় সঠিক হয় না।

default-image

তবে মুমিনুল নতুন বছর নিয়ে এত ভাবছেন না। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ২১ বছর পরও বাংলাদেশ অধিনায়ক সরাসরি জয়ের আশা প্রকাশ করতে পারেন না, ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করে সামনে এগোতে চান, ‘২০২২ নিয়ে এত চিন্তা করছি না। এই সিরিজে কত ভালো খেলতে পারি এটা নিয়েই চিন্তা করছি। এক বছর টেস্টে কেমন করবেন এসব ভাবা খুব কঠিন। সামনে কঠিন সব কন্ডিশনে খেলব। ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করে এগিয়ে যাওয়াই ভালো।’

আর এই ছোট ছোট লক্ষ্য ধরে এ বছর এগিয়ে যাওয়ার পথে বাংলাদেশ যদি ব্যর্থও হয়, তবু দল নিয়ে ভালো চিন্তাই করবেন মুমিনুল। অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নতুন বছরে ভালো শুরুর কথা আমি সব সময়ই বলব। এই বছর যদি খারাপও যায়, দশ নম্বর হই, পরের বছর অধিনায়ক থাকলে আবারও আমি একই কথা বলব। আমি কখনোই খারাপ চিন্তা করব না, ভালো চিন্তাই করব। খারাপ হলেও ভালো চিন্তা করব।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন