আবাহনীর অন্য ব্যাটসম্যানরাও মুনিম, নাজমুলের মতোই ২০–এর ঘরে গিয়ে আর এগোতে পারছিলেন না। ওভারপ্রতি রানরেট ভালো থাকলেও হাতে ছিল না উইকেট। মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন—আবাহনীর ব্যাটসম্যানরা যেন থিতু হয়েও আউট হয়ে যাওয়ার মিছিলেই নেমেছিলেন।

নাঈম ও সাইফউদ্দিন ক্রিজে আসার পরই থামে সেই মিছিল। এই দুই বাঁহাতির বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়েই ২ পয়েন্ট নিশ্চিত করে আবাহনী। দুজন মিলে গড়েন ৫১ রানের জুটি, যার নিয়ন্ত্রণটা ছিল নাঈমের হাতেই। এক-দুই রানের সঙ্গে ২টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠা ম্যাচকে সহজ করে তোলেন নাঈম। শেষ ওভারে জিততে আবাহনীর দরকার ছিল ১০ রান। দুই বল বাকি থাকতেই রূপগঞ্জকে ছাড়িয়ে যায় আবাহনী।

এর আগে রূপগঞ্জের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জাকের আলী ৪২ বলে করেন ৫২ রান। ২৭ বলে ৩৫ রান করেন সাব্বির রহমান। আল আমিন, নাঈম ইসলাম ও মুক্তার আলীর ছোট ছোট ইনিংসে রূপগঞ্জ ৫ উইকেটে করে ১৬২ রান। বৃষ্টি আইনে ১৮ ওভারের ম্যাচে আবাহনীর লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৪।

বিকেএসপিতে শাইনপুকুর ও পারটেক্সের ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। বৃষ্টি নামার আগেই শাইনপুকুর ৫ ওভারে ৩৯ রান করেছিল। এরপর খেলা আর মাঠে গড়ায়নি।