বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুরুতেই উইকেট হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা ছিল নির্ভার। লক্ষ্যটা যে নাগালের মধ্যেই ছিল তাঁদের। কিন্তু তাসকিনের বোলিং তাদের ভাবিয়েছে। তবে তাদের ইনিংস অবশ্য আরও একটা জিনিস প্রমাণ করেছে—আবুধাবির উইকেট আজ ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার পার্থক্য একটা জায়গাতেই—কঠিন পরিস্থিতিতেও তারা নিজেদের মানিয়ে নিয়ে, খেলাটাকে এদিক-ওদিক করে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে টানতে পারে। বাংলাদেশ যেটা পারে না।

আবুধাবির উইকেট কঠিন ছিল। কিন্তু নাঈম, সৌম্য, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা নিজেদেরকে এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি। সেটি হতেই পারে, কিন্তু তাদের আত্মসমর্পণগুলো ছিল দৃষ্টিকটু। দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারালেও মেহেদী, নাসুমদের বলে মাথা ঠান্ডা রেখেই ম্যাচটা বের করে নিয়ে গেছেন।

default-image

হেন্ডরিকসের ফেরার পর দলীয় ২৮ রানের মাথায় মেহেদীর বলে বোল্ড হন কুইন্টন ডি কক। ৩৩ রানে যখন মার্করামকে তাসকিন নাঈমের ক্যাচে ফেরান, তখন আবুধাবির মাঠে বাংলাদেশের সমর্থকদের মনে আক্ষেপ জন্ম নিতেই পারে—মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা যদি একটু বুক চিতিয়ে লড়তে পারতেন। দলের রানটাকে যদি ১৩০-১৪০ এর ঘরে নিতে পারতেন!

দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বুক চিতিয়েই লড়লেন। দলের বিপদের মধ্যে একেবারে অধিনায়কোচিত ইনিংস। রেসি ফন ডার ডুসেনকে সঙ্গে নিয়ে গড়লেন ৪৩ বলে ৪৭ রানের জুটি। বিপদ কেটে গেল। শঙ্কায় কাঁপা দলটিই শেষ অবধি জয়টা তুলে নিল অনায়াসেই। বাভুমা ২৮ বলে দুটি চার ও এক ছক্কায় খেললেন ৩১ রানের ইনিংস। ডুসেন ২৭ বলে ২২—তিনি অবশ্য জয়ের খুব কাছ দাঁড়িয়ে নাসুমের বলে শরীফুলকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। মিড অন থেকে দৌঁড়ে গিয়ে লং অনে শরীফুল যে ক্যাচটি নিলেন—সেটির প্রশংসা করতেই হবে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন