বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃতীয় বলেই নেই লিটন দাস। স্টার্কের বলে বোল্ড তিনি। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে হ্যাজলউডের বল স্টিয়ার করতে গিয়ে নিজের স্টাম্প ভেঙে যেতে দেখেন সৌম্য। তৃতীয় ওভারে পঞ্চম বলে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। তিনি গেলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে বিভ্রান্ত হয়ে। স্কোরবোর্ড তখন উঠেছে ১০ রান।

এরপর মোহাম্মদ নাঈম আর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সামান্য প্রতিরোধ। ১৬ বলে ২২ রানের জুটি। কিন্তু নাঈম দলীয় ৩২ রানে ফিরলেন হ্যাজলউডের বলে প্যাট কামিন্সের ক্যাচ হয়ে। পুল করতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটও পার করতে পারেননি তিনি। আফিফ হোসেন তাঁর ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করলেন আজ। স্কোরবোর্ড ঘুরতে না ঘুরতেই ৩৩ রানের মাথায় তিনি বোল্ড।

default-image

৩৩ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার শামীমকে নিয়ে আরও একটা জুটি মাহমুদউল্লাহর। ২৮ বলে ২৯। কিন্তু শামীমও বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। যদিও আজ বাংলাদেশের দলের সর্বোচ্চ রান এই বাঁ হাতিরই। ১৮ বলে, এক ছক্কা আর এক চারে করেছেন তিনি ১৯। কিন্তু অস্ট্রেলীয় বোলিংয়ের সামনে সীমিত সামর্থ্য নিয়ে কতক্ষণ লড়বেন তিনি। মেহেদীকে এক বলের বেশি থাকতে দিলেন না জাম্পা। মাহমুদউল্লাহ ফিরলেন ১৬ রান করে স্টার্কের বলে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ হয়ে। ৬৫ রানে ৮ উইকেট নেই। এরপর আর লড়ার কিছুই যে থাকে না। এরপর মোস্তাফিজ আর শরীফুলও দ্রুতই আউট করে ১৫ ওভারেই বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেন জাম্পা। অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলারও তিনি। ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৫ উইকেট। স্টার্ক, হ্যাজলউড নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। ম্যাক্সওয়েল একটি।

default-image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স বাংলাদেশের—এটি নিয়ে বিতর্ক করার কিছু নেই। মাঠের খেলায় এবার আমরা পিছিয়ে সবার চেয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেটিই আবার প্রমাণিত। এ টুর্নামেন্টের অন্যতম সংক্ষিপ্ততম ম্যাচই ছিল এটি। নির্দিষ্ট করে বললে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসেই এটি ষষ্ঠ সংক্ষিপ্ততম ম্যাচ।

default-image

বাংলাদেশের ৭৩ রান পেরিয়ে যেতে ৬.২ ওভার লাগল অস্ট্রেলিয়ার। তাদের রানরেট বাড়িয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ আর ডেভিড ওয়ার্নার শুরুটাও করলেন মারমুখী হয়েই। ৫ ওভারের মধ্যেই ৫৪ তুলে ফেলে ফিঞ্চ (২০ বলে ৪০) ফিরলেন তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে। ওয়ার্নারও (১৪ বলে ১৮) থাকতে চাইলেন না বেশিক্ষণ। ততক্ষণে অবশ্য ম্যাচ প্রায় শেষ। তবে শরীফুল যে বলটিতে ওয়ার্নারকে বোল্ড করলেন, সেটির কিছুটা প্রশংসা করতেই হয়।

আসলে যে ম্যাচে পাওয়ার কিছুই থাকে না, সেখানে ছোটখাট বিষয়েই আনন্দ খুঁজে নিতে হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ফেলেছিলেন দেশের মানুষকে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন