বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ানদের দাপটে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ব্যাট করতে নামার সুযোগ পাননি। সুযোগ এসেছিল গতকাল, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এই এক ম্যাচই যেন শোয়েব মালিকের কাছে যথেষ্ট ছিল, নিজের জাত চেনানোর জন্য।

৮৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের যখন বাজে অবস্থা, তখনই দক্ষ নাবিকের মতো জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিলেন এই অলরাউন্ডার। একপ্রান্ত আগলে রেখে সঙ্গী আসিফ আলীকে এনে দিলেন ঝড় তোলার উপলক্ষ। অভিজ্ঞ সতীর্থের কাছে সাহস পেয়ে আসিফও ডানা মেললেন মুক্ত বিহঙ্গের মতো। আর তাতেই পুড়ে ছারখার হলো কিউইরা।

default-image

অধিনায়ক বাবর আজম ঠিকই বুঝেছিলেন দলে একজন অভিজ্ঞ সতীর্থ থাকার গুরুত্ব। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে মালিককে দলের ‘সম্পদ’ তো আর এমনি এমনিই বলেননি বাবর!

শুধু তা-ই নয়, মালিককে দলের সবচেয়ে ফিট সদস্য মনে করেন পাকিস্তান অধিনায়ক, ‘তাঁর অভিজ্ঞতা পাকিস্তান দলের জন্য সম্পদ। তিনি এ মুহূর্তে দলের সবচেয়ে ফিট ক্রিকেটার। প্রথম একাদশে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা আমাদের আছে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে দলের ভেতর ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।’ অভিজ্ঞতার দাম যে কত , কালকের ম্যাচই তো তার প্রমাণ!

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী-শিবির থেকেও প্রশংসা ছুটে আসছে মালিকের দিকে। ভারতের সাবেক পেসার জহির খানই যেমন, মালিকের ফর্ম দেখে অভিজ্ঞতা আর বয়সের গুরুত্বের কথা আরেকটু তুলে ধরেছেন, ‘ভক্তরা অনেক সময় জিজ্ঞেস করে শোয়েব মালিকের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা এখনো কেন খেলছেন। এই কারণেই তাঁরা খেলছেন। তাঁরা খুব ভালো করে জানেন এই সময়ে চাপ কীভাবে সামলাতে হয়। এমন পরিস্থিতে যে মেজাজ হারাতে নেই, অধৈর্য হতে নেই, সেটা আবারও বুঝিয়েছেন মালিক। ধৈর্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। নির্বাচকদের আজ সঠিক প্রমাণ করেছেন শোয়েব মালিক।'


মালিক আসলেই বড় ‘সম্পদ’ যেকোনো দলের জন্য।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন