বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচে জিততেই হতো লঙ্কানদের। দলটির রান তাড়ার শুরুটা অবশ্য হয়েছিল আশা জাগানিয়াই। প্রথম ওভারে পাথুম নিশাঙ্কা রান আউট হলেও ক্রিস ওকস আর মঈন আলীর করা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওভারে চার-ছক্কায় রান বাড়াতে থাকেন কুশল পেরেরা ও চারিথ আসালাঙ্কা।

কিন্তু অধিনায়ক এউইন মরগানের মাথার খেলায় পেরে ওঠেনি লঙ্কান টপ অর্ডার। দুই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যানের সামনে লেগ স্পিনার আদিল রশিদকে নিয়ে আসেন। একের পর এক গুগলি দিয়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের মেরে খেলাকে ঝুঁকিপূর্ণই করে তোলেন তিনি। মরগানের পাতা ফাঁদে সবার আগে পা দেন আসালাঙ্কা। রশিদের গুগলি মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন ২১ রান করে। রশিদের পরের ওভারে একই ভুল করেন আরেক বাঁ হাতি পেরেরা। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে এবার মরগানের হাতে ক্যাচ তুলে লঙ্কান ওপেনার। বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি আভিস্কা ফার্নান্দো ও ভানুকা রাজাপক্ষের ইনিংসও।

default-image

৫ উইকেট হারিয়েও লড়াই জারি রেখেছিল লঙ্কানরা। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দাসুন শানাকা ৩৬ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েও দল জেতাতে পারেননি নিজেদের ভুলে। ইংল্যান্ডের পেসার টাইমাল মিলস ১.৩ ওভার বোলিং করেই চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। ইংল্যান্ডের বোলার সংকটের সুবিধাটাও নিতে পারেনি লঙ্কান লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ১২৯ রানের সময় ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পর ১৩৭ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। মঈন, রশিদ ও জর্ডান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

default-image

এর আগে ইংল্যান্ডের ইনিংসের শুরুটাও ছিল লঙ্কানদের মতো। ইনিংসের ১০ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে মাত্র ৪৭ রান। ততক্ষণে লঙ্কান স্পিনারদের ওভার প্রায় শেষ। বোলিংয়ে যখনই ফাস্ট বোলাররা এলেন, তখন থেকেই ব্যাট বড় হতে থাকে বাটলারের। তাঁকে সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক মরগান। দুজন মিলে ৭৮ বলে ১১২ রান যোগ করেন। মরগানের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে ৪০ রান। ওদিকে ৪৫ বলে ফিফটি করে ৬৭ বলে ১০১ রান করেন বাটলার, ইনিংসটি সেজেছে ৬টি চার ও ৬টি ছক্কায়। সেঞ্চুরির জন্য ইংল্যান্ড ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা মেরেছেন বাটলার।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন