default-image

যত দিন খেলেছেন, উপভোগ করেছেন। আধুনিক যুগে ক্রিকেটাররা দিন দিন রসকষহীন হয়ে উঠছেন—এঁদের ভিড়ে ব্যতিক্রম ছিলেন ওয়ার্ন। যত দিন ছিলেন উপভোগ করেছেন। সেটা খেলার মাঠে প্রতিপক্ষকে স্পিনে ঘোল খাইয়ে হোক কিংবা স্লেজিং করে হোক। মাঠের বাইরেও রঙিন জীবন কাটিয়েছেন। শুধু ক্রিকেটেই ধ্যানজ্ঞান দেননি, শুধু উইকেটসংখ্যায় তাই তাঁকে কখনো বিবেচনা করা যাবে না। শেন ওয়ার্নকে বুঝতে হলে, তাঁর বোলিং দেখতে হতো। কবজির মোচড়, বুদ্ধির প্রয়োগ আর প্রাণবন্ত শেন ওয়ার্নকে বোঝাতে ব্যর্থ তাঁর ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান।

কিংবদন্তির শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে অক্ষম পরিসংখ্যানে একটু চোখ বোলানো যাক—

default-image

১০০১—আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে শেন ওয়ার্নের নেওয়া উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাত্র দুজন বোলারের ১০০০ উইকেট পাওয়ার কীর্তি আছে। অন্যজন তাঁর স্পিন প্রতিদ্বন্দ্বী মুত্তিয়া মুরালিধরন।

৩৩৯—আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ওয়ার্নের খেলা ম্যাচ। ১৪৫টি টেস্ট খেলা ওয়ার্নের ওয়ানডে ম্যাচের সংখ্যা তুলনামূলক কম—মাত্র ১৯৪টি।

৭০৮—টেস্ট ক্রিকেটে শেন ওয়ার্নের নেওয়া উইকেট। প্রথম বোলার হিসেবে ৬০০ ও ৭০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন ওয়ার্ন।

২৯৩—ওয়ানডেতে ওয়ার্নের নেওয়া উইকেটের সংখ্যা।

৯৬—২০০৫ সালে টেস্টে ওয়ার্নের নেওয়া উইকেট। এক পঞ্জিকাবর্ষে ক্রিকেট ইতিহাসে কোনো বোলার এত উইকেট পাননি।

১৭—টেস্ট ক্যারিয়ারে ওয়ার্নের জেতা ম্যাচসেরার পুরস্কার।

default-image

৩৭—টেস্টে ওয়ার্নের ইনিংসে পাঁচ উইকেটপ্রাপ্তি। টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

১৭৬১—টেস্ট ক্রিকেটে ওয়ার্নের করা মেডেন ওভার।

১৯৫—অ্যাশেজে ওয়ার্নের নেওয়া উইকেট।

১০২—ক্যারিয়ারে যত ব্যাটসম্যানকে শূন্য রানে ফিরিয়েছেন ওয়ার্ন।

১৪৪০—২০০ উইকেট পেতে ওয়ার্নের এ কটা দিনই লেগেছিল। টেস্ট ক্রিকেটের দ্রুততম এটি।

১২৫—টেস্টে শেন ওয়ার্নের নেওয়া ক্যাচ। মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেট ও ১০০ ক্যাচ ধরেছেন ওয়ার্ন।

৩১৫৪—টেস্টে ওয়ার্নের রান। ক্রিকেট ইতিহাসে শতক না পাওয়া ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ। ২০০১ সালে পার্থে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে আউট হয়েছিলেন ওয়ার্ন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন