দ্বিতীয় টেস্টে ক্রিকেটের চেয়েও বেশি আলোচনা সম্ভবত হয়েছে মাঠের আশপাশে লঙ্কানদের প্রতিবাদ নিয়ে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় এ নিয়ে প্রচারিত ভিডিওতে কামিন্স বললেন, ‘গতকাল যে প্রতিবাদ হলো, সেটি এড়িয়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। দেশ থেকে আমাদের কাছে অনেক খুদেবার্তা এসেছে, ‘সবকিছু কেমন চলছে? আশা করি সবকিছু ঠিকঠাকই আছে’ লেখা। আমরা কোনো সমস্যাই অনুভব করিনি।‘

কামিন্সদের অনুভূতির তারে বরং টোকা দিয়ে শুধু লঙ্কানদের দুর্দশার চিত্র। কতটা দুর্দশার, সেটির আঁচ কিছুটা পাওয়া যায় কামিন্সের বর্ণনায়, ‘হোটেলের কর্মচারীদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি, কয়েকজন ড্রাইভারের সঙ্গেও। তাঁদের কী কষ্টই না হচ্ছে! একদিন খেলে পরের দিন খাচ্ছেন না তাঁরা, যাতে সন্তানদের খাওয়াতে পারেন। কী কষ্ট!’

default-image

চোখের সামনে মানুষের এমন জীবন দেখে নিজেদের জীবনের জন্য বুঝি আরেকবার কৃতজ্ঞতাই ঝরল কামিন্সের। কোথাও মানুষ যেখানে খাবার জোগাড় করতেই গলদঘর্ম, বিদ্যুত-জ্বালানির যেখানে তীব্র সংকট, সেখানে কামিন্সরা ঠিকই দেশে দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ক্রিকেট খেলছেন।

ক্রিকেটের কাছে তাই কামিন্সের কৃতজ্ঞতা, ‘মাঝে মাঝে মনে হয় যে কতটা সৌভাগ্যবান আমরা। প্রথমত বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। আর এখানে ব্যাপারটা শুধু এখানে এসে ক্রিকেট খেলাই নয়। খেলার কী প্রভাব পড়েছে সেটা তো বোঝাই যায়। ব্যাপারগুলো নিয়ে মাঝে মাঝে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন