বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যাশেজের সময় কোয়ারেন্টিনের নিয়মকানুন নিয়ে ধোঁয়াশা চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড—দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়েও এ নিয়ে কথা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে সবশেষ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া যে কোয়ারেন্টিন নীতিমালার কথা জানিয়েছে, তাতে বলা আছে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনের ১৪ দিন হোটেলে ক্রিকেটারদের ‘মুক্তভাবে’ চলাফেরা করতে পারার বিষয়টি। তবে পরিবারের সদস্যদের ব্যাপারে তারা কিছুই জানায়নি।

টুইটারে পিটারসেন বলেছিলেন, এ সফরে পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে বাড়তি কোনো নিয়মকানুন থাকা উচিত নয়, ‘কোনোভাবেই এ অ্যাশেজ সফরে যেতাম না আমি। কোনোমতেই না। আমার পরিবারকে শর্ত ছাড়া যেতে না দিলে প্রশ্নই উঠত না। কোয়ারেন্টিনের এই অদ্ভুত নিয়ম কানুন নিয়ে ক্রিকেটাররা সব হাঁপিয়ে উঠেছে।’

পিটারসেনের কথার জবাব পেইন দিয়েছেন এভাবে, ‘বিশ্বের যে কোনো কিছু নিয়ে জানতে হলে শুধু কেভিনকে জিজ্ঞাসা করলেই চলবে। সে যেন সবকিছুরই বিশেষজ্ঞ। কেভ (কেভিন পিটারসেন), এটা খেলোয়াড়দের ওপর ছেড়ে দাও। তাদেরই কথা বলতে দাও।’

অবশ্য এর আগেই রুট বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নন তিনি, ‘আমরা এখনো কিছু জিনিস জানার অপেক্ষায় আছি। আশা করি শিগগির জানতে পারব। এটা হতাশার, তবে আমাদের অবস্থানটা এখন এমনই। শর্ত কেমন হবে, সেসব না জেনে কিছু বলাটা কঠিন। আশা করি শিগগির সামনে এগোতে পারব আমরা।’

default-image

পেইন অবশ্য রুটদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে চান না। অ্যাশেজ ৮ ডিসেম্বরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘হয় তারা আসবে, অথবা আসবে না— এটা তাদের ব্যাপার। কেউ আপনাকে জোর করছে না। যদি আসতে না চান, তো আসবেন না। অ্যাশেজ হবে। জো (রুট) থাকুক বা না থাকুক, প্রথম টেস্ট ৮ ডিসেম্বরই শুরু হবে। ইংল্যান্ডের একটা দল এখানে আসছে।’

ইংল্যান্ডের সব ক্রিকেটারই অস্ট্রেলিয়া সফরে আসতে চান বলে মনে করেন পেইন, ‘আমরা কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়কেই বলতে শুনিনি, তারা আসবে না। যদি দেশের হয়ে অ্যাশেজে প্রতিনিধিত্ব করতে চান, রুট যেমন বলেছে ‘তারা সবাই চায়, এটাই স্বপ্ন’, তাহলে আসুন। তারা সবাই আসতে চায়, এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই। নিজেদের পক্ষে শর্তগুলো নিতে চায় তারা। আমরা সবাই চাই। তাদেরও বাজে পরিস্থিতিতে ফেলতে চাই না আমরা। সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে আশা করি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন