বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর মার্চে পাল্লেকেল্লেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বশেষ টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন তিনি। কিছুদিন আগে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শ্রীলঙ্কার ঘোষিত স্কোয়াডে তাঁর জায়গা হয়নি।

টুইটারে অবসর নেওয়ার পোস্টে মালিঙ্গা লিখেছেন, ‘টি–টোয়েন্টি থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছি এবং সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি। আমার এই অভিযাত্রায় যারা সমর্থন দিয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আসছে বছরগুলোয় তরুণদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে মুখিয়ে আছি।’

টি-টোয়েন্টিতে মালিঙ্গা সর্বকালের অন্যতম সেরা বোলার। ৮৪ ম্যাচে ১০৭ উইকেট নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে সরে দাঁড়ালেন। যদিও এই সিংহাসন বেশিদিন তাঁর দখলে থাকার কথা নয়। ৮৮ ম্যাচে ১০৬ উইকেট নিয়ে তাঁর ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন সাকিব আল হাসান।

নিজের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে অবসর নিয়ে মালিঙ্গা বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যে অভিজ্ঞতা আমি অর্জন করেছি, মাঠে তার আর প্রয়োজন হবে না। যেহেতু আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এর মধ্য দিয়ে সব ধরনের ক্রিকেটই ছাড়লাম। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড, আমার সতীর্থরা, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস দল ও এর মালিক পক্ষ, মেলবোর্ন স্টারস, কেন্ট ক্রিকেট ক্লাব, রংপুর রাইডার্স, গায়ানা ওয়ারিয়র্স, মারাঠা অ্যারাবিয়ানস,মন্ট্রিল টাইগার্স—সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

আইপিএলে সবচেয়ে বেশি (১৭০) উইকেট নেওয়ার রেকর্ড মালিঙ্গার। ১৬.৬২ স্ট্রাইক রেটও একটি জায়গায় অনন্য—আইপিএলে কমপক্ষে ৯০ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে সর্বনিম্ন। ডেথ ওভারে তাঁর মতো ধারাবাহিক বোলার শুধু আইপিএল নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কখনো দেখেছে কি না, তা গবেষণার বিষয়।

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত মালিঙ্গাকে আবিষ্কার করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ফাস্ট বোলিং কোচ আনুসা সমরনায়েকে ও চম্পকা রমানায়েকে। রাউন্ড আর্ম অ্যাকশনে ‘স্লিঙ্গার’ হিসেবে খ্যাতি কুড়িয়েছেন মালিঙ্গা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচটি হ্যাটট্রিক রয়েছে তাঁর, দুবার ৪ বলে ৪ উইকেটও নিয়েছেন—এমন কীর্তি নেই আর কারও।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন