default-image

দুটো সম্ভাবনাই আছে। হয় টের পাচ্ছেন ভালো বিপদে পড়তে যাচ্ছেন কিংবা আসলেই অনুশোচনায় দগ্ধ । তাই এবার দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার আন্দিলে ফিউলেঙ্কোর কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। এর আগেও একবার ক্ষমা চেয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। তবে তখন কারও নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

ফিউলেঙ্কোর কাছে ক্ষমা চাওয়ার পর টুইটে পাকিস্তান অধিনায়ক জানান, ‘আজ সকালে আমি আন্দিলে ফিউলেঙ্কোর কাছে ক্ষমা চেয়েছি এবং তিনি যথেষ্ট মহানুভবতার সঙ্গে আমার ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করেছেন। আশা করি দক্ষিণ আফ্রিকার সবাই আমার ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করবে।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ম্যাচের এক মুহুর্তে ফিউলেঙ্কোর উদ্দেশে বর্ণবাদী ও বেশ কুরুচিপূর্ণ এক মন্তব্য করেন উইকেটরক্ষক ও অধিনায়ক সরফরাজ। ম্যাচের পর টুইটারে তিনি জানান, কথাটা সরাসরি কাউকে আঘাত করার জন্য বলেননি। ক্ষমাও চান নিজের এই কৃতকর্মের জন্য। নিজেদের অধিনায়কের এমন কর্মে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবিও এই ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে। তাঁদের খেলোয়াড়দের শিক্ষামূলক কার্যক্রমেও উন্নতি করার জায়গা আছে বলে জানিয়েছে পিসিবি।

এর আগে সরফরাজের ক্ষমা চাওয়ার প্রেক্ষিতে নিজে মুখ খোলেননি আন্দিলে ফিউলেঙ্কো। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি কারণ সে দুঃখ প্রকাশ করেছে। সে ক্ষমা চেয়েছে এবং দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছে। এটা এখন আর আমাদের বিষয় নয়, আইসিসি এই বিষয় সামলাবে।’

আইসিসি থেকে এই বিষয়ে এখনো সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে সেই ম্যাচের ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালের কাছ থেকে এই ঘটনা সম্পর্কে একটি রিপোর্ট পেয়েছে আইসিসি। বিষয়টি তারা তদন্ত করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এতে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে পাকিস্তান অধিনায়কের সরফরাজের। সিদ্ধান্ত এখন আইসিসির।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন