বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সাকিবের জন্য অবশ্য বিষয়টি নতুন নয়। চোট ও বিশ্রামে টেস্ট ক্রিকেট যেন খেলাই হচ্ছে না সাকিবের। গত চার বছরের পরিসংখ্যান বলছে, সাদা জার্সিতে সাকিবকে দেখা যায় কালেভদ্রে। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর সাকিব টেস্ট খেলেছেন মাত্র ৮টি। এ সময়ে বাংলাদেশ দল টেস্ট খেলেছে ২৬টি।

টেস্ট ক্রিকেট থেকে সাকিবের ছুটি নেওয়ার শুরুটা হয় ২০১৭ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে। সেবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছয় মাস ছুটি নিয়েছেন মানসিক ও শারীরিকভাবে চাঙা হয়ে ক্রিকেটে ফেরার জন্য। চোট, আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় এরপর বেশ কিছু টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়নি সাকিবের।

default-image

এরপর এ বছরের মার্চে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাননি সাকিব। মার্চের সফরে অবশ্য টেস্ট ম্যাচ ছিল না। বাংলাদেশ গত মার্চে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছে। এরপর মে মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে যাননি সাকিব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য টেস্ট ক্রিকেট না খেলে ওই সময় আইপিএল খেলেছেন সাকিব। বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কা সফরে দুটি টেস্ট খেলেছে।

default-image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে ছিটকে পড়েন সাকিব। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। আশা ছিল, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে ক্রিকেটে ফিরবেন সাকিব। কিন্তু পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় দেরি হওয়ায় চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে সাকিবকে পায়নি বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান মিরপুর টেস্ট দিয়ে লাল বলের খেলায় ফিরলেও সাকিবকে পরের টেস্টেই পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল।

সব ঠিক থাকলে ৯ ডিসেম্বর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ যাবে নিউজিল্যান্ড সফরে। সেখানে এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টিন শেষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল। মাউন্ট মঙ্গানুইতে প্রথম টেস্টটি শুরু হবে আগামী ১ জানুয়ারি। ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ৯ জানুয়ারি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন