বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সাকিব-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহরা বাংলাদেশ দলে ছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ছয়টি আসরেই। নিজ থেকে সরে না দাঁড়ালে সাকিব-মুশফিকদের মতো সপ্তম বিশ্বকাপ খেলতে যেতেন তামিম ইকবালও। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ছয়টি বিশ্বকাপ খেলেছেন আর মাত্র একজনই—মাশরাফি বিন মুর্তজা।

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে পঞ্চ পাণ্ডব ছাড়াও ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আবদুর রাজ্জাক, আফতাব আহমেদ, অলক কাপালি, ফরহাদ রেজা, জুনায়েদ সিদ্দিক, নাদিফ চৌধুরী, নাজিমউদ্দিন, সৈয়দ রাসেল ও জিয়াউর রহমান। তাঁদের মধ্যে জিয়া কোনো ম্যাচই খেলার সুযোগ পাননি।

default-image

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে থাকা ১১ জনই খেলেছেন একাধিক বিশ্বকাপ। ২০০৭ বিশ্বকাপটাই শেষ বিশ্বকাপ হয়ে আছে নাদিফ, অলক ও নাজিমউদ্দিনের।

এ ক্ষেত্রে সৈয়দ রাসেলের গল্পটা একটু অন্য রকম। বাঁহাতি পেসার বাংলাদেশ দলে ছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরের দুটি আসরেও। তবে পরের দুটি বিশ্বকাপে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি রাসেলের।

default-image

বাংলাদেশের ২০২১ বিশ্বকাপের দলে সাকিব-মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ ছাড়াও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে থাকা রুবেল হোসেনেরও আছে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা। চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে থাকলেও ডানহাতি পেসার অবশ্য ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন মোটে দুটি বিশ্বকাপে।

এবারের বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত যারা দল ঘোষণা করেছে, সেই সব দলের মধ্যে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ ও ভারতের রোহিত শর্মা খেলেছেন ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। রোহিতও সাতটি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। হাফিজ পাকিস্তান দলে ছিলেন না ২০০৯ সালে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনো দল ঘোষণা করেনি, তবে ২০০৭ বিশ্বকাপ খেলা ক্রিস গেইল ও ডোয়াইন ব্রাভোর সম্ভাবনা আছে এবারের বিশ্বকাপের দলেও থাকার। দুই ক্যারিবীয় খেলোয়াড় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ছিলেন টি-টোয়েন্টির সব কটি বিশ্বকাপেই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন