default-image

আইসিসির নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর সাকিব আল হাসান এখন যেকোনো টুর্নামেন্টেই খেলতে পারেন। তাঁর খেলতে বাধা নেই জেনেই কদিন আগে বাংলাদেশ অলরাউন্ডারের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল বিগ ব্যাশের একটি দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ তাঁর হচ্ছে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নৈতিক পুলিশ বিভাগের আপত্তিতে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর সাকিবকে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছিল বিগ ব্যাশের একটি দল। কিন্তু সিএর নৈতিক পুলিশ বিভাগের আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত সেটি আর এগোয়নি। যদি কোনো খেলোয়াড় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে শাস্তি পেয়ে থাকেন, তাঁদের খেলার ব্যাপারে সিএর নৈতিক পুলিশ বিভাগ সাধারণত অনুমতি দেয় না। সাকিবের সাম্প্রতিক অতীতই হয়তো তাদের নিরুৎসাহিত করেছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে সাকিব মেলবোর্ন রেনেগেডস ও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে বিগ ব্যাশে খেলেছেন। নিষেধাজ্ঞার এক বছর শেষ হয়ে যাওয়ায় এবারও বিগ ব্যাশ ওয়ানডেতে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের দল পেতে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু সিএর আপত্তি থাকায় ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু এই টুর্নামেন্টে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সাকিবের একটি উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছে, যেটি তিনি কদিন আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বলেছিলেন, ‘(সতীর্থদের মনে) সন্দেহ, অবিশ্বাস তৈরি হতেই পারে। সেটা কখনোই অস্বীকার করি না। তবে আমার সবার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, আমি কখনো এটা অনুভব করিনি। আশা করি, তারা যেভাবে আমাকে বিশ্বাস করত, এখনো সেভাবেই করবে। তবে এটা (অবিশ্বাস) অস্বাভাবিক কিছু নয়। মনের কোনায় সন্দেহ জাগতেই পারে। ঘটনাটাই এমন যে কারও মনে সন্দেহ জাগতে পারে।’

default-image

সাকিব নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এলেও তাঁকে নিয়ে যে সন্দেহ-সংশয় দ্রুতই কেটে যাওয়ার নয়, তাঁর ওই কথা উদ্ধৃত করে সেটিই যেন ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকাটি। সাকিবের সুযোগ এসেছিল লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) খেলারও। বিসিবি অবশ্য জানিয়েছে, তাঁকে এলপিএল খেলতে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হবে না। সাকিব আপাতত প্রস্তুতি নিচ্ছেন ২৪ নভেম্বর শুরু বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিতে খেলার।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0