বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মধ্যাঞ্চলের ২৬২ রান তাড়া করতে নেমে আজও অফ স্পিনে আউট হন উত্তরাঞ্চলের ওপেনার তানজিদ হাসান। পারভেজ হোসেন ও নাঈম ইসলাম জুটি গড়ে বিপদ সামাল দেন। দুজনের ৮৬ রানের জুটিতে জয়ের ভিতও পেয়ে যায় উত্তরাঞ্চল।

শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি নিজেদের ভুলেই। পারভেজ বাজে শট খেলে ৩০ রানে আউট হন, বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মার্শাল আইয়ুবও।

default-image

মাহমুদউল্লাহ ও নাঈম ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচ তাঁদের নাগালের বাইরে নিয়ে যান মধ্যাঞ্চলের বোলাররা। নাঈম ৭২ ও মাহমুদউল্লাহ ৪৩ রানে আউট হলে জয়ের বাকি আশাটুকুও হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।

শামীম হোসেন ও আকবর আলী চেষ্টা করেও রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৩৪ রান তোলে উত্তরাঞ্চল। মধ্যাঞ্চলের ২৮ রানের জয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন মৃত্যুঞ্জয়। ১০ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাকিব।

এর আগে সকালের কঠিন কন্ডিশনে আগে ব্যাট করে ভালো শুরু পায় মধ্যাঞ্চল। মিজানুর রহমান ও আবদুল মজিদের সঙ্গে জুটি গড়ে মধ্যাঞ্চলের শক্ত ভিত গড়েন সৌম্য সরকার।

৬০ বলে ৪০ রান করেন তিনি। চারে নামা সাকিব অবশ্য আজ প্রথম ম্যাচের তুলনায় সাবলীল ছিলেন। ক্রিজে এসে প্রথম বলেই তিনি সানজামুলকে সুইপ শটে চার মারার চেষ্টা করেন।

default-image

সাকিব বড় ইনিংসেরই আভাস দিচ্ছিলেন। তাঁকে আউট করতে উত্তরাঞ্চল অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও ছিলেন নাছোড়বান্দা। সতীর্থদের ব্যর্থতা, ক্যাচ হাতছাড়া এসব দেখে নিজের বোলিংয়েই সাকিবকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন মাহমুদউল্লাহ।

৩৬ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে সাকিব যখন আউট হন, ততক্ষণে অবশ্য মোসাদ্দেক হোসেন উইকেটে থিতু। শেষ পর্যন্ত আল আমিন জুনিয়রের সঙ্গে জুটি গড়ে মধ্যাঞ্চলের রান বাড়িয়ে নেন তিনি। ৫৫ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক। ৩২ বলে ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন আল আমিন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন