বিজ্ঞাপন

মাঝখানে দেশে এসেছিলেন। সেটি সেপ্টেম্বরের শুরুতে। অক্টোবরে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। সেটি দিয়েই ফিরতে চেয়েছিলেন। এক মাস তাঁর আঁতুড়ঘর বিকেএসপিতে থেকে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু কোয়ারেন্টিন-জটিলতায় সফর স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তিনি ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে। এখন প্রস্তুত হচ্ছেন আবার দেশে ফেরার।

নভেম্বরের শুরুতেই ফিরতে পারেন তিনি। বিসিবির পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টই হতে পারে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে তাঁর ক্রিকেটে ফেরার সিরিজ। তবে কীভাবে ক্রিকেটে ফিরবেন, কবে ফিরবেন, সে সিদ্ধান্তটা তিনি দেশে এসেই নিতে চান, ‘বাংলাদেশে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ফিরব ইনশা আল্লাহ। এরপরেই আসলে বাকি কাজগুলো কীভাবে কি হবে সেটার একটা রূপরেখা তৈরি হবে। এখান থেকে আসলে সেই রূপরেখাগুলো তৈরি করা সম্ভব না। দেশে ফেরার পরই করা হবে। বিসিবির সঙ্গে কথা বলেই করা হবে এবং সুন্দর করেই করা হবে। কিন্তু এটা দেশে ফেরার আগে সম্ভব না।’

default-image

বিসিবির সঙ্গে তাঁর সব সময়ই যোগাযোগ ছিল বলেই জানিয়েছেন সাকিব, ‘আমার তো বিসিবির সঙ্গে সব সময়ই কথা হয়। বোর্ডের সভাপতি পাপন ভাইয়ের (নাজমুল হাসান) সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ হয়। নির্বাচকদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। সবার সঙ্গেই যোগাযোগ রাখছি। আসলে যে পরিকল্পনা আছে সেটা বাস্তবায়নের জন্য দেশে ফিরতে হবে।’

সাকিবের পরিকল্পনা দ্রুতই বাস্তবায়ন হোক। তাঁকে মাঠে দেখতে যে সবাই অধীর সবাই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন