default-image

ভদ্রলোক সকাল সকাল কার্ডিফে এসেছেন সেই লন্ডন থেকে। সোফিয়া গার্ডেনস থেকে তাঁকে ফিরতে হলো বিরস মুখে। বৃষ্টিবাধায় খেলাই আর দেখা হলো না এই বাংলাদেশি প্রবাসীর। তবুও তাঁর প্রাপ্তি আছে, কার্ডিফে আসা বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের সঙ্গে একটা সেলফি! কিন্তু মাশরাফিদের প্রাপ্তি কী?

দলে যে টুকটাক চোটাঘাত ছিল, বেশির ভাগই সেরে গেছে। সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ প্রায়ই সেরে উঠেছেন চোট থেকে। কিন্তু চোট সারলেই তো হয় না। ম্যাচ খেলার জন্য কতটা তৈরি, সেটিও দেখতে হবে। আর সেটি দেখার জন্য পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা হতে পারত আদর্শ।

কদিন আগে ওয়ানডেতে অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়ের সিংহাসন ফিরে পাওয়া সাকিবকে নিয়ে স্টিভ রোডস মোটেও চিন্তিত নন। আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলে গেলেন, ‘আয়ারল্যান্ডে তাকে নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছিল। তবে চোট থেকে সে সেরে উঠেছে। সামনে এগিয়ে যেতে উন্মুখ। অসাধারণ একটা টুর্নামেন্ট খেলতে ব্যাকুল হয়ে আছে। ওয়ানডেতে আবার শীর্ষ অলরাউন্ডার হয়েছে। আমরা তো সব সময়ই মনে করি সে নাম্বার ওয়ান। তবে সবাইকে বিশ্বাস করাতে এটা দরকার ছিল।’

ব্যাটিংয়ে সমস্যা না হলেও কাঁধের চোটে পড়ায় মাহমুদউল্লাহর বোলিং দেখা যাচ্ছিল না অনেক দিন হলো। পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর বোলিং একটু পরখ করে দেখতে চেয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। সেটি হয়নি। রোডস আশাবাদী, বিশ্বকাপের শুরুতেই মাহমুদউল্লাহর বোলিংটা কাজে লাগাতে পারবেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম এই ম্যাচে সে বোলিং করবে। এটা তো আর আজ হলো না। তবে আশাবাদী, বিশ্বকাপের শুরুর দিকেই তার বোলিংটা আমরা পাব। দলের ভারসাম্য আনতে এটা হয়তো কিছুটা কাজে দেবে। মাহমুদউল্লাহ এমনই এক খেলোয়াড় ভালো অবস্থানে যেতে তার খুব বেশি সময় লাগে না। মাত্রই সে হাত ঘুরিয়েছে। আশা করি, দ্রুতই আমাদের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচটা তো ভেসেই গেল। ২ জুন ওভালে ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ-অভিযান শুরুর আগে নিজেদের পুরোপুরি তৈরি করতে পরশু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচই এখন শেষ ভরসা!

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0