বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আমরা প্রথম ছয় ওভারের সুবিধাটাই নিতে পারছি না
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান

অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়েতে সফল দুই ওপেনার সৌম্য ও নাঈমকে সুযোগ দেয়। কিন্তু কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ দলের বোলিংয়ের সামনে কোনো জুটিই গড়তে পারেনি এই দুই বাঁহাতি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে লিটন দাস দলে ফেরায় বাদ পড়েন সৌম্য। নাঈমের সঙ্গে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫৯ রানের জুটি গড়েন লিটন। এ ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোয় লিটন ছিলেন ব্যর্থ। নাঈম প্রায় প্রতি ম্যাচেই ভালো শুরু করেছেন। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি।

default-image

দুটি সিরিজেই তিন নম্বরে ব্যাট করেছেন সাকিব আল হাসান। রানের খরায় ভুগছেন তিনিও। এক বছরের নিষেধাজ্ঞার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এসে সাকিব যেন টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ের ছন্দটাই ধরতে পারছেন না। জিম্বাবুয়ে সিরিজে এ পর্যন্ত তিনি টানা ১২টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন, এই ১২ ম্যাচে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৬ রানের।

দলের ব্যাটিংয়ের আরেক স্তম্ভ মুশফিকুর রহিমও রান পাচ্ছেন না। জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে না খেললেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা পাঁচ ম্যাচে ভালো সময়ে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন মুশফিক। কিন্তু সেটি তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। পাঁচ ম্যাচ মিলিয়ে তাঁর রান মাত্র ৩৯।

default-image

বিশ্বকাপের আগে দলের ব্যাটিংয়ের এমন হাল নিশ্চয়ই ভালো বার্তা দেয় না। কাল বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসানও এ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আমরা প্রথম ছয় ওভারের সুবিধাটাই নিতে পারছি না।’

তবে বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতায় রেখেছে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ হোসেনের ব্যাটিং। নিউজিল্যান্ড সিরিজের পাঁচ ম্যাচে অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ৬০ গড়ে ১২০ রান।

আর জিম্বাবুয়ে থেকেই আফিফ ধারবাহিকভাবে রান করে আসছেন। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আফিফই ছিলেন বাংলাদেশ দলের সেরা ব্যাটসম্যান। কিন্তু নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যাটিংয়ের সুযোগ খুব একটা পাননি এই বাঁহাতি। গতকাল সিরিজের শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে করেছেন অপরাজিত ৪৯ রান। বিশ্বকাপের আগে যা বাংলাদেশ দলের জন্য সুখবর।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন