বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৫ রান নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতি থেকে ফেরার পর চতুর্থ বলেই বোল্টকে চার মেরে শুরু করেন মাহমুদুল হাসান। ষষ্ঠ ওভারে বোল্টকে চার মারেন সাদমানও। ওই তিন ওভারেই আসে ১৭ রান!

এরপর দেখেশুনে খেলে, এক-দুই নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাদমান-মাহমুদুল। এর মধ্যে ১৬তম ওভারে অবশ্য মাহমুদুলের ভালো পরীক্ষা নেন সাউদি। একটা চার হয়েছে সে ওভারে, সেটিও ব্যাটের কানায় লেগে। এর বাইরে দু-তিনটি বলে মাহমুদুলকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলেন সাউদি।

কিন্তু সে যাত্রায় বাংলাদেশের উইকেট না পড়ার স্বস্তি দুই ওভার পরই উধাও। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে নিল ওয়াগনারের নিচু হয়ে আসা ফুলটসে ধরা পড়লেন সাদমান। টাইমিং ঠিক হয়নি, ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় ওয়াগনারেরই হাতে। সাদমান ফেরেন ৫৫ বলে ১ চারে ২২ রান করে, জুটি ভাঙে ৪৩ রানে।

default-image

নাজমুলকে নিয়ে এরপর দেখেশুনেই খেলছেন মাহমুদুল। ২১তম ওভারে অবশ্য মাহমুদুলের এলবিডব্লুর জোর আবেদন করেছিল নিউজিল্যান্ড। সে যাত্রায় ভাগ্যই বাঁচিয়েছে বাংলাদেশকে। আম্পায়ার আউট দেননি, রিভিউও নেয়নি নিউজিল্যান্ড। কিন্তু পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, রিভিউ নিলে আউট হতেন মাহমুদুল। ওয়াগনারের বলটা স্টাম্পেই আঘাত করত।

এরপর থেকে মূলত এক-দুই রানে ভর করেই খেলছেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান। নাজমুল অবশ্য ওয়াগনার ও জেমিসনকে দুটি চার মেরেছেন, মাহমুদুল আরও একটি চার মেরেছেন জেমিসনকে।

এই মুহুর্তে মাহমুদুল অপরাজিত ৩২ রানে, তাঁর ৯২ বলের ইনিংসে ৩টি চার। নাজমুল ৩৯ বলে ২ চারে ১২ রান করে অপরাজিত।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন