বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এই দুই পেসারের চোটের কারণে দলে ডাকা হয়েছে আরেক পেসার কামরুল ইসলামকে। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার পুরস্কারই পেয়েছেন টি-টোয়েন্টি অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা কামরুল। আরেক নতুন মুখ শহিদুল ইসলামের সঙ্গে আজ টি-টোয়েন্টি অভিষেক হতে পারে তাঁরও।

টেস্ট সিরিজের কথা চিন্তা করে প্রথম দুই ম্যাচে খেলা তাসকিন আহমেদকে শেষ ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের। মোস্তাফিজ চোটে পড়ায় সেটি আর হচ্ছে না। দলে ফিরতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদও।

বাংলাদেশ দলের মূল সমস্যাটা অবশ্য বোলিংয়ে নয়, ব্যাটিংয়ে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি দলের টপ অর্ডার যেন এক ‘অপয়া’ জায়গা। এখানে যে–ই আসেন, সে–ই ব্যর্থ হয়ে দল থেকে বাদ পড়েন। বিশ্বকাপের পর সৌম্য সরকার, লিটন দাসদের ব্যর্থতার পর তাঁদের বাদ দিয়ে সাইফ হাসান ও নাজমুল হাসানকে দলে আনা হয়। বিশ্বকাপে কিছু রান করায় টিকে যান মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু পাকিস্তান সিরিজে নাঈমের ব্যাটেও রান নেই।

default-image

ওদিকে অভিষেক টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই ব্যর্থ সাইফ। সাইফ আবার টেস্ট দলেরও ওপেনার। দুই ম্যাচের ব্যর্থতার পর তাঁকে টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। চট্টগ্রামে কাল টেস্ট দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন তিনি।

সাইফের জায়গায় টি–টোয়েন্টি দলে যোগ দিয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের ওপেনার পারভেজ হোসেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সিরিজে পারভেজই টি–টোয়েন্টি দলের ওপেনার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেঞ্চুরি আছে মারকুটে এই ওপেনারের। টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে প্রস্তুতি ক্যাম্পেও তিনি ছিলেন। কিন্তু ডানহাতি হওয়ায় সাইফকেই শেষ পর্যন্ত বেছে নেওয়া হয় ওপেনার হিসেবে।

এখন আবার ঘুরেফিরে সেই বাঁহাতি পারভেজকেই নিতে হলো দলে। শেষ ম্যাচে পারভেজেরও অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সে ক্ষেত্রে ওপরের সারির চার ব্যাটসম্যানই হবেন বাঁহাতি।

default-image

পাকিস্তান দলে অবশ্য এত সমস্যা নেই। এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পর স্বস্তিতেই আছে বাবর আজমের দল। ব্যাটিং স্থিতিশীল, বোলিংয়েও আছে বৈচিত্র্য। তাতে এমনকি মূল বোলারদের বিশ্রাম দিয়ে খেলানোর মতো বিলাসিতাও করতে পারছে দলটি।

প্রথম ম্যাচে যেমন শাহিন শাহ আফ্রিদিকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হয়েছে হাসান আলীকে। দ্বিতীয় ম্যাচে শাহিন খেলেছেন, বিশ্রামে ছিলেন হাসান। আরেক ফাস্ট বোলার হারিস রউফ অবশ্য দুই ম্যাচেই খেলেছেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে হয়তো তরুণ শাহ নেওয়াজ দাহানিকে অভিষেকের সুযোগ দেবে পাকিস্তান।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ সফরে হারের প্রতিশোধটা যেন এবার হাড়ে হাড়ে নিচ্ছে পাকিস্তান দল। বাংলাদেশের মাটিতে সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসে প্রথমে ওয়ানডে ও পরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছিল পাকিস্তান। এবারের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এরই মধ্যে জিতে নিয়েছে তারা। লক্ষ্য এখন আজ শেষ ম্যাচটাও জিতে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন