বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আজ জাতীয় দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনের ফাঁকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গোকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলছিলেন, ‘সিডন্স অনেক অভিজ্ঞ কোচ। সারা বিশ্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রক্রিয়াটাও জানেন। এই ক্রিকেটারদের আমার চেয়েও হয়তো ভালো চেনেন তিনি। তাঁকে আমাদের সঙ্গে পাওয়া তাই ভালো খবর। তিনি কোচিং স্টাফদের মধ্যে অনেক অভিজ্ঞতা যোগ করবেন।’

মাহমুদ থাকাতেও ডমিঙ্গোর কাজ নাকি অনেকটাই সহজ হয়েছে। আজ তিনি বলছিলেন, ‘আমার আর বোর্ডের যোগসূত্র হচ্ছেন চাচা (খালেদ মাহমুদ)। আমরা দল নির্বাচন, একাদশ, টস বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে কী ভাবছি—এসব ব্যাপারে বোর্ডের সঙ্গে চাচা যোগাযোগ করেন। আমাকে তাহলে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয় না। আমি আমার কাজেই ব্যস্ত থাকি। আমি এসব নিয়ে ভাবতেই চাই না। সেদিক থেকে চাচা থাকায় আমার অনেক সুবিধা হয়। তিনি আমার চাপ কমিয়ে দিচ্ছেন।’

default-image

আফগানিস্তান সিরিজের প্রস্তুতির প্রথম দিন মাহমুদ ও সিডন্স না থাকায় অনুশীলনের সময়টা খুব ব্যস্ততায় কেটেছে ডমিঙ্গোর। করোনাবিধির কারণে সিডন্স সেদিন দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি। মাহমুদ এক দিন বিশ্রাম নিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। যে কারণে প্রথম দিনের অনুশীলনটা রাসেল ও স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ মিলেই সামলেছেন। পরে সিডন্স ও মাহমুদ যোগ দেওয়ায় ডমিঙ্গোর কাজের চাপ কিছুটা হলেও কমেছে।

সে কারণেই কি না, আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনে ডমিঙ্গো দূর থেকে পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করলেন। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনের সঙ্গেও ছোটখাটো বৈঠক সেরে ফেলেছেন তিনি। এ সময় সিডন্স আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের একাদশে থাকা তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলীর সঙ্গে কাজ করেছেন। মাহমুদও ব্যস্ত ছিলেন ক্রিকেটারদের অনুশীলনে। পেস বোলিং কোচ না থাকায় এ দায়িত্বটা এখন মাহমুদই পালন করছেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন