বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকালে শুরুটা ভালোই করেছিলেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ-ইয়াসির আলী। মিরাজ দুবার রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান। ভালো কিছু ড্রাইভে অর্ধশতকের সুবাস পাচ্ছিলেন। কিন্তু ৪৭ রানে ব্যাট করতে ৮৮ বলের এই ইনিংসে তাঁর ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।

টিম সাউদির অফ স্টাম্পের বাইরের বল অযথাই খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মিরাজ। টেস্টে ৪৩৩ বল পর সাউদির উইকেটের দেখা পাওয়ার মধ্য দিয়ে ভেঙে যায় মিরাজ-ইয়াসিরের সপ্তম উইকেটে ১৬০ বলে ৭৫ রানের জুটি। তখন বাংলাদেশের ইনিংসে ১৭১.৩ ওভার। তার আগেই লিড এক শ পার করে বাংলাদেশ।

ব্যক্তিগত ৪৩ রানে টেস্ট ক্রিকেটে এক হাজার রানের মাইলফলকের দেখাও পান স্পিন অলরাউন্ডার মিরাজ। তবে মিরাজ-ইয়াসিরের জুটিটি দিনের খেলার ১৬তম ওভারে না ভাঙলে এবং দুজনে জুটি বড় করতে পারলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ভিত আরও শক্ত হতো। আজ ২৭ রান যোগ করেন মিরাজ। ১৫ রান যোগ করেন ইয়াসির।

মিরাজ আউট হওয়ার পর মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শেষের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে লড়তে পারেননি ইয়াসির। ২৬ রানে থাকতে কাইল জেমিসনের বলে বাজে শট খেলে আউট হন ইয়াসির।

লেগ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে টম ব্লান্ডলকে ক্যাচ দেন। ৮৫ বলের সম্ভাবনাময় ইনিংসটির অপমৃত্যু ঘটে। পরের ওভারে তাসকিনকে তুলে নেন সাউদি। ১৭৬.২ ওভারে শরীফুল ইসলামকে ইয়র্কারে বোল্ড করে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের বিশ্রাম এনে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। ১০১ রানেন ৩ উইকেট নিল ওয়াগনারের।

নিউজিল্যান্ড নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১০ রান তোলার পর মধ্যাহৃভোজ বিরতিতে যায় দুই দল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন