বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিন্তু তা আর হলো কই! রাউন্ড দ্য উইকেট আসা প্রোটিয়া অলরাউন্ডার উইয়ান মুল্ডারের বলটি লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন তামিম। ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্সকে তামিমের এমন আউটে একটু মনঃক্ষুণ্নই।

ম্যাচ শেষে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তা প্রকাশও করেছেন, ‘আমার মনে হয়, সে চার মেরে ফিফটি করতে চেয়েছিল। এ কারণেই পুরো ইনিংস সে কীভাবে খেলেছে, সেটা ভুলে গেছে। সোজা ব্যাটে সে দারুণ খেলছিল, প্যাডের সামনে ক্রস ব্যাটে নয়। তবে সে যে আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেলেছে, সেটা এককথায় দুর্দান্ত ছিল। তাঁর ব্যাটিং ড্রেসিংরুমকে শান্ত করেছে। যদি ইনিংসটা লম্বা হতো, তাহলে আরও ভালো হতো।’

default-image

ম্যাচের পরিস্থিতিও টপ অর্ডার থেকে দীর্ঘ ইনিংসের দাবি জানাচ্ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ আজ দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ১৩৯ রানে। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিমের একটু রয়েসয়ে খেলা দরকার ছিল কি না, সিডন্সকে উত্তর দিতে হলো এই প্রশ্নেরও।

সিডন্স অবশ্য তামিম যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, তাতে আপত্তির কিছু দেখছেন না। বরং তিনি বলেন, ‘তামিম টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে সব সময়ই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। এরপর ধীরে ধীরে সে ক্রিজে থিতু হয়। ফাস্ট বোলারের বিপক্ষে তামিম শুধু বাজে বলেই ব্যাট চালায়। ভালো বলগুলো ও ছেড়েছে, কখনো ডিফেন্স করেছে। আমার মনে হয়, ইনিংসের শুরুতে বোলাররা যখন রাউন্ড দ্য উইকেট করেছে, শান্ত (নাজমুল) ও তামিম ভালোই করেছে। আমার মনে হয় না আক্রমণাত্মক ব্যাটিং তামিমের আউটের কারণ।’

default-image

শুধু তামিম নন, মুমিনুল ও নাজমুলও আজ রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে আসা বলে এলবিডব্লিউর শিকার হয়েছেন। সিডন্সেরও বাঁহাতিদের এই দুর্বলতা চোখে পড়েছে, ‘আমি ওদের সঙ্গে আজকের আউট নিয়ে কথা বলিনি। ওরা দুজনই লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিল। ওদের সামনের পা সরিয়ে বল যে লাইনে আসছে, সেই লাইনেই লেখা উচিত...এক্ষেত্রে সেটা স্ট্রেট ডাউন দ্য গ্রাউন্ড। এটা মানসিক ও কৌশলগত ব্যাপার। খুব দ্রুতই এর সমাধান করা সম্ভব।’

সমস্যার কারণটা যখন ধরতেই পেরেছেন সিডন্স, দ্বিতীয় ইনিংসের আগে তা নিরাময় করার উদ্যোগ নিলেই তো হয়।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন