default-image

ফিল হিউজ যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, আরেক ‘ফিল’ সিমন্সের মনে ফিরে এসেছিল ভয়াল সেই স্মৃতি। যখন হিউজের মৃত্যুসংবাদটা পেলেন, আবার নতুন করে অনুভব করলেন তিনি কতটা সৌভাগ্যবান। ১৯৮৮ সালে ব্রিস্টলে গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ট্যুর ম্যাচে ডেভিড লরেন্সের বাউন্সার লেগেছিল সিমন্সের মাথায়। মাথায় হেলমেটও ছিল না। হিউজের মতোই মাটিতে লুটিয়ে পড়া সিমন্সের হৃৎস্পন্দন থেমে গিয়েছিল। অস্ত্রোপচারের পর তিনি জীবনে ফিরেছেন, ক্রিকেটেও। ফিল হিউজ তা পারেননি। সিমন্সের তাই কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে, ‘ফিল হিউজ যখন জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে, ওর জন্য প্রার্থনা করছিলাম। আমাদের দুজনের নামে মিল আছে, আমার মাথায় বল লাগার সময় ওর মতোই আমার বয়সও ছিল ২৫। শুধু ভাবছিলাম, এত যখন মিল আমার মতো হিউজও ফিরবে। ওর চলে যাওয়াটা আমাকে খুব নাড়িয়ে দিয়েছিল। তা দুটি কারণে। এক, আমি নিজেও এমন অবস্থায় চলে গিয়েছিলাম এবং আমারও একই পরিণতি হতে পারত। দুই, আমি শুধু ওর পরিবারের কথা ভাবছিলাম। এই বয়সে তরতাজা একটা ছেলে এভাবে চলে যাবে, এটা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়!’

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন