বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তখন টসে জিতে ব্যাটিং করা নিউজিল্যান্ড ইনিংসের ৪ বল হয়েছে মাত্র। উইকেটকিপার নুরুল হাসান ততক্ষণে উইকেটের চরিত্র কিছুটা আঁচ করতে পারছিলেন। অফ স্পিনার মেহেদী হাসানকে উইকেটের পেছন থেকে তিনি বলছিলেন, ‘আজ উইকেট শক্ত আছে।’ চতুর্থ ওভারে সাকিব আল হাসানকেও একই সতর্কবার্তা, ‘আজ কষ্ট করতে হবে। মনোযোগ বেশি লাগবে।’

কিন্তু ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে সেই মনোযোগ, সেই নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশ দলের তিন স্পিনারের একজনও ধারাবাহিকভাবে দেখাতে পারেনি। নিউজিল্যান্ডের পাওয়ার প্লেতে যে ছয়টি বাউন্ডারি এসেছে, তার সব কটিই স্পিনারদের বাজে বলের ফল। তবে বাংলাদেশকে ম্যাচে রেখেছেন দুই পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

default-image

নিউজিল্যান্ড পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৪১ রান করার পরও মোস্তাফিজ-সাইফউদ্দিনের বোলিংয়ে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায় দারুণভাবে। দুজনই তাঁদের প্রথম ওভারে উইকেটের দেখা পেয়েছেন। তৃতীয় ওভারে দুর্দান্ত শুরু করা ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজ। আর সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত দুটি কাটারে আউট করেছেন উইল ইয়াং ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে।

এরপরই নিউজিল্যান্ডকে চেপে ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও মেহেদী। ২০ রান করে উইকেটে থিতু হওয়া ওপেনার রচিন রবীন্দ্রকে বোল্ড করেন মাহমুদউল্লাহ। পরের ওভারেই মেহেদীর বলে অধিনায়ক টম ল্যাথাম রিটার্ন ক্যাচে আউট। ৪৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড ৬২ রানে পৌঁছাতেই হারায় পঞ্চম উইকেট।

default-image

বাংলাদেশ দলের হাতে দিনের সেরা দুই বোলার মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিনের ৬ ওভার বাকি ছিল। যার চারটিই ইনিংসের শেষ ৪ ওভারের জন্য জমা রেখেছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। উইকেটে দুই থিতু ব্যাটসম্যান টম ব্লান্ডেল ও হেনরি নিকোলস থাকার পরও খুব বেশি রান দেননি এই দুই পেসার। নিকোলস ৩৬ ও ব্রান্ডেল ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৫৫ বলের জুটিতে ৬৬ রান যোগ করেছেন দুজন। মোস্তাফিজ তাঁর ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন। সাইফউদ্দিন ৪ ওভার ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন