বিজ্ঞাপন

রুবেল হোসেন শুরুটা করেন সাইফ হাসানকে আউট করে। চোখের সমস্যা নিয়ে আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়েন সাইফের বিদায়ের পরই। ইনিংসের পাঁচ ওভারও তখন পেরোয়নি, মাঠে নামতে হয় মুশফিক-নাজমুলদের। দুজন অবশ্য ভালোই খেলছিলেন। মাহমুদউল্লাহদের সুইং বোলার সুমন খানকে ছেড়ে খেলছিলেন মুশফিক। নাজমুলও শুরুতে খেলছিলেন ঝুঁকিহীন ক্রিকেট। ভিত গড়ে বড় রানের পথে এগোনোর চেষ্টা ছিল দুজনেরই।

default-image

কিন্তু সুমনের এক স্পেলই এলোমেলো হয়ে যায় সবকিছু। ব্যাটিং পাওয়ার-প্লের শেষে এসে ভেতরের দিকে ঢোকা বলে এলবিডব্লু হন মুশফিক। পরের ওভারে এসে নাজমুলদের আরও সর্বনাশ করে দেন সুমন। লেংথ থেকে বেরিয়ে যাওয়া বলে সুমন আউট করেন সৌম্য ও ফর্মে থাকা আফিফকে। চোখের পলকে নাজমুল একাদশ পরিণত হয় ৪৫/৪-এ।

সুযোগ ছিল নাজমুলের নায়ক হওয়ার। কিন্তু স্পিনারদের বিরুদ্ধে দ্রুত কিছু রান বের করতে গিয়ে ফাঁদে পা দেন তিনি। ২২তম ওভারে মিড অন ফিল্ডারকে পরাস্ত করতে চেয়েও পারেননি; আউট হন দলকে ৬৬ রানে রেখে। ইরফানের বীরত্বের শুরুটা সেখান থেকেই। তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে প্রথমে যোগ করেন ৭০ রান। তবে জুটিতে মূল ভূমিকাটা ছিল ইরফানেরই। হৃদয় ফিরে যান ২৬ রানে এরপর অবশ্য নাঈম হাসান, নাসুম আহমেদরা ইরফানকে তেমন সঙ্গ দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৭৭ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কা মেরে ৭৫ রানে থামেন ইরফান।

default-image

ফাইনালে নাজমুল একাদশকে অল্প রানে আটকে রাখার বড় কৃতিত্বটা দিতে হবে সুমনকেই। শুরুতেই দ্রুত ৩ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি পাল্টে দিয়েছেন ম্যাচের চেহারা। শেষে ইরফানকেও নিজের ইনিংসটি দীর্ঘ করতে দেননি। আরও ২ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ৫ উইকেট-কীর্তি তাঁর। ১০ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট—সুমনের বোলিংই বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে মাহমুদউল্লাহর দলের শিরোপা জয়ের পথটা সহজ করে দিয়েছে।

এখন দেখার, মাহমুদউল্লাহ একাদশের ব্যাটসম্যানরা সেই ‘সহজ’ পথ কতটা সহজে পাড়ি দিতে পারে!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন