বিজ্ঞাপন

সেই সময়টা কেমন ছিল, তা বোঝাতে গিয়েই সৌরভের উদাহরণ টানেন চ্যাপেল, ‘ভারতে সেই দুই বছর সব দিক থেকেই চ্যালেঞ্জিং ছিল। অসম্ভব রকম প্রত্যাশা ছিল সবার। সৌরভ গাঙ্গুলীর অধিনায়কত্ব নিয়ে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। সে কঠোর পরিশ্রম করতে চাইত না। নিজের খেলায় উন্নতি নিয়ে ভাবত না। শুধু দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকতে চেয়েছে, যেন সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’

ভারতের কোচ হিসেবে দলটির সংস্কৃতিতে কিছু পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলেন চ্যাপেল। ভাবনাচিন্তা পাল্টে দিতে চেয়েছিলেন সত্তর দশকে খ্যাতি কুড়ানো সাবেক এ ব্যাটসম্যান। সৌরভের জায়গায় রাহুল দ্রাবিড়ের কাঁধে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পর বছরখানেক ভারত ভালো খেলেছিল, এরপর সব ভেঙে পড়ে বলে মনে করেন চ্যাপেল। ৭২ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়কের ভাষায়, ‘দ্রাবিড় ভারতকে সত্যি সত্যি বিশ্বের সেরা দল বানানোর চেষ্টা করেছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তার মতো করে সবাই ভাবেনি। দলে সবার অনুভূতি একরকম ছিল না। তারা শুধু দলে থাকার কথা ভেবেছে। কিছু সিনিয়র খেলোয়াড় বিরোধিতা করেছে, কারণ তারা ক্যারিয়ারের শেষ দিকে পৌঁছে গিয়েছিল। সৌরভ দল থেকে বাদ পড়ার পর খেলোয়াড়েরা ভেবেছে, সে বাদ পড়লে তারাও পড়তে পারে।’

সৌরভ গাঙ্গুলী দলে ফেরার পরের ঘটনা নিয়েও বলেছেন চ্যাপেল, ‘১২ মাস দারুণ সময় কেটেছে। কিন্তু গাঙ্গুলী ফেরার পর বাধা আসতে থাকে। খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে বার্তাটা ছিল পরিষ্কার—“আমরা পরিবর্তন চাই না।” যদিও বোর্ড আমাকে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিলেও এই চাপ নেওয়ার দরকার আছে বলে মনে করিনি।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন