বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাহসী বলেই কি না, ভাগ্যের সাহায্যও একটু পেলেন এই তারকা। ৩১তম ওভারটা করতে এলেন অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। আগে চার ওভার বল করে চারটাই মেডেন নেন। এক রানও হজম করেননি। সেই গ্রিনের ওভারে প্রথম বলটা একটু ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিল, সতর্কভাবে ছেড়ে দিয়েছিলেন স্টোকস। গ্রিনের মনে হয়েছে, স্টোকসের ছেড়ে দেওয়া বলটা প্যাডে আঘাত লেগে পেছনে চলে গিয়েছে।

ব্যস, তার স্বরে আবেদন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের! আম্পায়ার পল রেইফেলও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের আবেদনে সাড়া দিয়ে স্টোকসকে এলবিডব্লিউর খড়্গে ফেললেন। কিন্তু স্টোকস নিশ্চিত ছিলেন, বল আর যা–ই হোক, তাঁর প্যাডে লাগেনি। নিলেন রিভিউ।

তবে কোথায় লেগেছে! ডিআরএসের সাহায্যে দেখা গেল, প্যাড নয়, স্টাম্পের এক কোনায় বলটা স্পর্শ করে পেছনে চলে গেলেও ভোজবাজির মতো স্টাম্প অক্ষতই থেকে গেছে। বেল পড়েনি। রিভিউ দেখে স্টোকস নিজেই হেসে খুন! এভাবে বেঁচে যাবেন, হয়তো ভাবেননি।


মাঠে থাকা হাজারো দর্শকের দীর্ঘশ্বাস মেশানো হতাশার সঙ্গে যোগ হয় অভিনব এ ঘটনা সশরীরে দেখতে পারার বিস্ময়ও। জীবন পেয়ে স্টোকস সে ওভারে একটি চার মেরে আউট হওয়ার ভয়টা ভেতর থেকে তাড়িয়েও দেন।

তৃতীয় দিনে যথারীতি অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের দাপটে ম্রিয়মাণ ইংল্যান্ড। বিশেষ করে নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা বোল্যান্ডের তোপে টিকতেই পারছে না সফরকারীরা। ৪১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান তুলেছে ইংল্যান্ড, ক্রিজে আছেন স্টোকস আর বেয়ারস্টো।

নয় ওভার বল করে পাঁচটাতেই কোনো রান দেননি বোল্যান্ড। তাঁর বোলিং ফিগার ৯-৫-১৪-২। একটি করে উইকেট নিয়েছেন ক্যামেরন গ্রিন আর মিচেল স্টার্ক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন