>
default-image

টেস্ট ইতিহাসের সপ্তম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেট পেতে আর মাত্র ১ উইকেট দরকার ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের

সকালে রাজত্ব ছিল তাঁর। ২২ বলে ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেজ ছেটে দিয়েছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তাতে ইনিংসে ৬ উইকেটও হয়ে যায় ইংলিশ পেসারের। আর জেসন হোল্ডারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে অলআউট ১৯৭ রানে। ১৭২ রানের লিড পায় ইংল্যান্ড।
ফাইনাল হয়ে ওঠা শেষ টেস্টের শেষ বিকেলটাও রাঙালেন সেই ব্রড। ম্যাচ জিততে করতে হবে ৩৯৯ রান। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেই আবার ব্রডের তোপের মুখে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। নিজের প্রথম ওভারে ওপেনার জন ক্যাম্পবেলকে স্লিপে অধিনায়ক রুটের ক্যাচ বানানোর পর পরের ওভারের প্রথম বলেই তুলে নিলেন নৈশপ্রহরী হিসেবে নামা কেমার রোচকে। উইকেটটি টেস্ট ক্রিকেটে ব্রডের ৪৯৯। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬ ওভারে ১০ রান তুলে দিন শেষ করেছে।
ম্যাচের চতুর্থ দিনে ইতিহাসের সপ্তম ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ব্রড ৫০০ উইকেটের মাইলকলক ছুঁতে পারবেন কি? উত্তরটা জানতে তাকিয়ে থাকতে হবে ম্যানচেস্টারের আকাশের দিকে। আবহাওয়া অফিস যে বলছে ভেসে যেতে পারে পুরো চতুর্থ দিনের খেলাই। তবে মঙ্গলবার শেষ দিনে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
ওই পূর্বাভাসকে মাথায় রেখেই তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ব্যাট হাতে আগুন ঝরালেন জো রুট ও ররি বার্নস। সময় কম, কিন্তু উইজডেন ট্রফি ফিরে পেতে জয় ছাড়া উপায় নেই। কম সময়ে বেশি রান তুলে বড় লক্ষ্য দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আবারও অলআউট করার মতো সময় তো বের করতে হবে!
দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ১১২ রান যোগ করলেন দুজন। ৯০ রান করে বার্নস আউট হতেই ২২৬ রানে ইনিংস ঘোষণা করলেন ৫৬ বলে ৬৮ রান করা রুট। অথচ ডম সিবলি–ররি বার্নসের উদ্বোধনী জুটি ১১৪ রান করতে লাগিয়ে ফেলেছিল ৪০.৫ ওভার। যা দেখে মাইকেল ভনের মতো সাবেকরা সমালোচনাও করেছিলেন। উদ্বোধনী জুটিটা অবশ্য ভাঙতে পারত ৩৮ রানেই। হয়নি মুখে বল লেগে আহত হয়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়া উইকেটকিপার শেন ডাউরিচের বদলি হিসেবে নামা জশুয়া ডি সিলভার জন্য। রোস্টন চেজের বলে বার্নসকে স্টাম্পিং করার সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন ২২ বছর বয়সী উইকেটকিপার। বার্নসের রান তখন ১২।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন