default-image

বেন স্টোকস শুধুই রসিকতা করে বলেছিলেন কথাটা। কিন্তু মারলন স্যামুয়েলস সেটির যে প্রতিক্রিয়া দেখালেন, তাতে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানই সমালোচিত হচ্ছেন বেশি।    

মহামারির এই সময়ে কোয়ারেন্টিনে থাকাটা যে কী যন্ত্রণার, যে থাকে সেই শুধু বোঝে। কোয়ারেন্টিনের ঝামেলা পোহাতে হয়েছে স্টোকসকেও।  দুদিন আগে বিবিসির ‘টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল’ পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইংলিশ অলরাউন্ডার রসিকতার সুরেই বলছিলেন, এই যন্ত্রণায় যেন আমার সবচেয়ে বড় শত্রু এমনকি স্যামুয়েলসও যেন না পড়ে! কোয়ারেন্টিনে থাকা খুবই কঠিন এক কাজ। ক্যারিবীয় স্পিনিং অলরাউন্ডারের সঙ্গে স্টোকসের ‘শত্রুতা’ পুরোনো। মাঠে দুজনের লেগেছে একাধিকবার। ২০১৫ সালের এপ্রিলে গ্রেনাডায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টে স্টোকসকে আউট করে স্যালুট দিয়েছিলেন স্যামুয়েলস।

বিজ্ঞাপন
default-image

স্টোকস যতই রসিকতা করুন, এটি শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছেন স্যামুয়েলস। তা না হয় রাগলেন, তাই বলে ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে প্রকাশের অযোগ্য ভাষায় এভাবে আক্রমণ করবেন! স্যামুয়েলসের স্টোরিতে বর্ণবাদী কথা তো আছেই। স্টোকসের স্ত্রীকে টেনে যা তা লিখেছেন ৩৯ বছর বয়সী জ্যামাইকান ব্যাটসম্যান। ইনস্টাগ্রামে স্যামুয়েলস টেনে এনেছেন তাঁর আরেক পুরোনো শত্রু শেন ওয়ার্নকেও। স্টোকস আর ওয়ার্নকে যেভাবে গালিগালাজ করেছেন স্যামুয়েলস, তাতে তিনি নিন্দিতই হচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বে।

শেন ওয়ার্ন চুপ থাকার মানুষ নন। খেলা ছাড়ার পর ধারাভাষ্যকক্ষে সুযোগ পেলেই কথার চাবুকে স্যামুয়েলসকে তুলাধোনা করে থাকেন অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি। এবার ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানকে তিনি চিকিৎসকদের শরণ নিতে পরামর্শ দিতে বললেন, ‘যেহেতু তার (মানসিক) অবস্থা খুব একটা ভালো না, তার জরুরিভাবে (চিকিৎসকের) সহায়তা দরকার । কিন্তু ওর তো কোনো বন্ধু নেই আসলে। এমনকি সাবেক সতীর্থরাও তাকে পছন্দ করে না। তুমি ক্রিকেটার হিসেবে খুব সাধারণ ছিলে, ব্যক্তি হিসেবেও সস্তা হওয়ার দরকার নেই। (চিকিৎসকের) সাহায্য নাও বাছা।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0