স্লেজিংয়ের বয়স আর ক্রিকেটের বয়স যেন একই। সেই ডব্লু জি গ্রেসের আমল থেকে ডেনিস লিলি, মার্ভ হিউজের পর হাল আমলের ডেভিড ওয়ার্নার, বিরাট কোহলিরা যুগে যুগে স্লেজিংয়ের ‘ব্যাটন’ বয়ে নিয়ে চলেছেন। স্লেজিংকে কেউ বলেন ‘শিল্প’, কারও চোখে আবার এটি ‘কুৎসিত’। স্লেজিং করে ক্রিকেটাররা জরিমানা গুনেছেন, শুনেছেন সতর্কবার্তা। কিন্তু স্লেজিং চলেছে স্বমহিমায়। তবে বিশ্বকাপে আইসিসি স্লেজিংয়ের ব্যাপারে কঠোর হতে চলেছে। আইসিসির আচরণবিধির যেকোনো একটি ধারা লঙ্ঘন করলেই ক্রিকেটারদের ওপর নেমে আসবে নিষেধাজ্ঞার খড়্গ। সাম্প্রতিক সময়ে স্লেজিংয়ের প্রভাব খুব বেশি নেতিবাচক হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন, ‘কয়েক মাস আগে থেকেই এটা শুরু হয়েছে। কোনো কোনো ম্যাচে কিছু কিছু খেলোয়াড়ের আচরণ তো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ছিল। অপেক্ষাকৃত উঠতি দর্শকদের জন্য এটা ভালো উদাহরণ নয়।’ শাস্তির কথাটাও জানিয়েছেন তিনি, ‘প্রথমবার আপনাকে জরিমানা করা হতে পারে। কিন্তু এর পুনরাবৃত্তি হলে অবশ্যই নিষিদ্ধ করা হবে। আর যাদের এই টুর্নামেন্টের আগেও সতর্ক করা হয়েছে, তারাও এর আওতায় আসবেন।’ রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন