বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সাবেক অসি স্পিনার হগের কণ্ঠে তাই শুধুই হারিসের প্রশংসা, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হারিস হয়ে উঠেছে অসাধারণ এক বোলার। আবুধাবিতে আমি ২০০৯ সালে প্রথমবার ওকে দেখেছিলাম। সেবার লাহোর কালান্দার্সের হয়ে হারিস টি-টোয়েন্টি খেলেছিল। আমি সেখানে প্রথমবার শাহিন আফ্রিদিকেও দেখেছিলাম।’

যে গতিতে বল করেন হারিস, সেটা দেখে মুগ্ধ হগের যেন ব্রেট লি আর শোয়েব আখতারের কথা মনে পড়ে গিয়েছিল, ‘ওকে (হারিস) যখন আমি প্রথম দেখি, মনে হয়েছিল, আমার দেখা অন্যতম সেরা গতিময় বোলার সে। ও যখন বল করছিল, আমার নিজের কাছে মনে হচ্ছিল যেন ব্রেট লি আর শোয়েব আখতার আবারও ফিরে এসেছে।’

default-image

ওই সময় লাহোর কালান্দার্স দলের কর্মকর্তারা হগকে জানিয়েছিলেন, হারিস নাকি কয়েক বছর ধরেই শুধু লাল বলের ক্রিকেট খেলেছেন। হগ দাবি করেন, ওই সময় এমন কথা শোনার পর তাঁর এটা বিশ্বাসই হয়নি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে হগ বললেন, ‘আমি লাহোর কালান্দার্সের কয়েকজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ওরা আমাকে বলেছিল যে আগের দু-তিন বছরে সে শুধুই লাল বলের ক্রিকেট খেলেছে। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। কারণ, আমার কাছে এটা মনে হয়েছে অসম্ভব।’

default-image

বিশ্বকাপের মতো এমন বড় আসরে হারিসের এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হগ, ‘বিশ্বকাপের শুরুর দিকে এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পিচ কেমন আচরণ করেছে, সেটা আমি দেখেছি। তাই আমার মনে হয়নি হারিস এখানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসে ভালো কিছু করতে পারবে। কিন্তু সে এই পরিবেশে মানিয়ে নিয়েছে।’

হারিসের নিজের চেষ্টাকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন হগ, ‘সে (হারিস) জানে সে এই পর্যায়ে নতুন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার বেশি অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান নেই ওর। সে কারণে সে মাঠে সতীর্থদের কথা শুনেছে। বাবর আজম, হাফিজ, শোয়েব মালিকের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেই চাপের মুখে কেমন করে বল করতে হয়, সেটা জেনে নিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এভাবেই সে ভালো করেছে। পরিবেশের সঙ্গে তাকে মানিয়ে নিতে হবে এবং সে সেটা মানিয়ে নিচ্ছেও।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন