বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক বিচারপতি শেখ আজমত সাঈদের সভাপতিত্বে এক বিশেষ সভা শেষে ‘সর্বসম্মতিক্রমে ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক রমিজ রাজা। চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পাওয়ার পর লাহোরে সংবাদ সম্মেলনের আগে ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সব সদস্যকে ডাকেন তিনি। সাবেক অধিনায়ক মঈন খান, ইনজামাম–উল–হক, সাবেক পেসার ও কোচ আকিব জাভেদের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম। এরপর লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে কোচ হিসেবে দুজনের নাম ঘোষণা করেন রমিজ।

সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই পিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি মনে করি, পাকিস্তান দলকে নতুন পথে চলতে হবে। এই কোচেরা (হেইডেন ও ফিল্যান্ডার) টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।’ হেইডেন ও ফিল্যান্ডারের কোচ হওয়া সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। এ দুজন পাকিস্তান জাতীয় দলে ঠিক কী ভূমিকা পালন করবেন, তা খোলাসা করেননি রমিজ রাজা। মিসবাহ–উল–হক সরে দাঁড়ানোর পর তাঁর শূন্যতা পূরণে জাতীয় দলে একজন প্রধান কোচ নিয়োগের কথাও বলেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান। তবে তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

default-image

হেইডেন অনেকের বিচারেই সর্বকালের অন্যতম সেরা ওপেনারদের একজন। তিন সংস্করণ মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৭৩ ম্যাচে ১৫০৬৬ রান করেছেন। ওদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১০১ ম্যাচ খেলা সাবেক পেসার ফিল্যান্ডার ২৬৯ উইকেট নিয়েছেন। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত দুজন সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে রমিজ রাজা বলেন, ‘ম্যাথু হেইডেন একজন অস্ট্রেলিয়ান। বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতাও আছে এবং তিনি নিজেও কিংবদন্তি খেলোয়াড়। ড্রেসিংরুমে একজন অস্ট্রেলিয়ানের উপস্থিতি কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। আর পাকিস্তানও অবশ্যই বিশ্বকাপ জিততে পারে, তবে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত নিংড়ে দিতে হবে। ভারনন ফিল্যান্ডারকে আমি ভালো করেই চিনি। সে বোলিংটা বোঝে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রেকর্ডও দারুণ।’

default-image

দুর্দান্ত ক্রিকেটার হলেও হেইডেন কিংবা ফিল্যান্ডারের টেকসই কোনো কোচিং অভিজ্ঞতা নেই। গত বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়েন ৩৬ বছর বয়সী ফিল্যান্ডার। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর খেলার কথা। ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়া হেইডেন মাঝে কিছুদিন শখের বশে সম্প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন। পাকিস্তানের কোচিং স্টাফের অংশ হওয়াই এ পেশায় তাঁর প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ।

গত সপ্তাহে পাকিস্তানের প্রধান কোচ ও বোলিং কোচের পদ ছাড়েন মিসবাহ ও ওয়াকার ইউনিস। সেদিনই পাকিস্তানের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করা হয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে অন্তবর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন সাকলায়েন মুশতাক ও আবদুর রাজ্জাক। ক্রিকইনফো জেনেছে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও প্রধান কোচের দায়িত্বে থাকতে পারেন সাবেক স্পিনার সাকলায়েন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন