বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কিন্তু প্রোটিয়াদের কৌশলে বানচাল করে দেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫তম ওভারের শেষ বলে এইডেন মার্করামকে তুলে নেন সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। পরের ওভারের প্রথম দুই বলে বাভুমা ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসকে আউট করে হ্যাটট্রিকের উল্লাসে মাতেন এই তরুণ লঙ্কান লেগ স্পিনার। প্রথম রাউন্ডে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক তুলে নেওয়া আয়ারল্যান্ডের পেসার কুর্টিস ক্যাম্ফারের পর এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকটি করলেন হাসারাঙ্গা।

তবে সেটিও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। কারণ ক্রিজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিনিশার ডেভিড মিলার। হাসারাঙ্গার জাদুকরী বোলিংয়ের পর যখন শেষ ওভারের সমীকরণ গিয়ে ঠেকে ৬ বলে ১৫ রানে, তখনই মিলারের ব্যাট হয়ে ওঠে চওড়া।

default-image

সঙ্গী কাগিসো রাবাদা শেষ ওভারের প্রথম বলে এক রান নিয়ে মিলারকে স্ট্রাইক দেন। পরের দুই বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে দুটি বিশাল ছক্কায় দক্ষিণ আফ্রিকার জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকার সময়েই আসে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়। মিলার অপরাজিত ছিলেন ১৩ বলে ২৩ রান করে। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের সর্বোচ্চ ৪৬ রান এসেছে বাভুমার ব্যাট থেকে।

এর আগে শ্রীলঙ্কান ইনিংসের গল্প বলতে গেলে তরুণ ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার কথাই আসবে। তাঁর ৫৮ বলে ৭২ রানের ইনিংসটি বাদ দিলে লঙ্কান ইনিংসে কিছুই থাকে না। মন্থর উইকেটে যখন শ্রীলঙ্কার বাকি ব্যাটসম্যানরা আসা যাওয়ায় ব্যস্ত, তখন এক প্রান্ত আগলে রাখেন নিশাঙ্কা।

default-image

এক শ-র আশেপাশে স্ট্রাইক রেটে নিশাঙ্কা ব্যাটিং করে যান ইনিংসের ১৫তম ওভার পর্যন্ত, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করেন ৪৬ বল খেলে। এরপর হাত খুলে খেলে নিজের ও দলের রান রান দ্রুত বাড়িয়ে নেন নিশাঙ্কা। তাঁর ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ৭২ রানের ইনিংসে ভর করেই শ্রীলঙ্কার রান গিয়ে ঠেকে ১৪২ রানে।

বরাবরের মতোই দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলার আনরিখ নরকিয়ে দারুণ বোলিং করেছেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। নরকিয়ের শুরুটা কাজে লাগিয়েছেন তাব্রেইস শামসি ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। দুজনই ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন